সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ডিবেট মুভমেন্ট সিডিএমের ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০০ পিএম
ডিবেট মুভমেন্ট সিডিএমের ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছবির ক্যাপশন: সিডিএম পরিবারের সিনিয়র ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ এবং সিডিএম স্কুল অব ডিবেটের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

ডিবেট মুভমেন্ট (সিডিএম) এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হয়েছে। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) , চাঁদপুর শহরের শর্মাজ রেস্টুরেন্টে এ উপলক্ষে সিডিএম পরিবারের সিনিয়র ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ এবং সিডিএম
স্কুল অব ডিবেটের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

সিডিএমের সভাপতি ভিভিয়ান ঘোষের সভাপতিত্বে ও সিডিএম স্কুল অব ডিবেটের প্রধান সমন্বয়কারী মুহাম্মদ আবদুল বাসেদের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং অতীতের সাফল্যগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় সংগঠনের তরুণ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে বিতর্কের মাধ্যমে চিন্তাশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সিডিএম-এর প্রতিশ্রতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিডিএমের সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া আক্তার, সহ-সভাপতি মিঠুন চন্দ্র ত্রিপুরা, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহজাবীন অধরাসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা সকলেই সংগঠনের দীর্ঘ ১৬ বছরের সফল পথচলা এবং বিতর্ক চর্চায় সিডিএমের অবদান নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত ব্যক্ত করেন। বক্তারা সিডিএম-এর উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে চাঁদপুর ডিবেট মুভমেন্টে (সিডিএম) এর ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

উল্লেখ্য: ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুর ডিবেট মুভমেন্ট (সিডিএম) বিগত ১৬ বছর ধরে চাঁদপুর জেলায় বিতর্ক চর্চার প্রসারে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সিডিএম শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে কাজ করে আসছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিডিএম-এর এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।