বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ও হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:১১ পিএম
কচুয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ও হয়রানির অভিযোগ

কচুয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেবর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রী ও শশুরকে মারধর ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের দরিয়া হায়াতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই গ্রামের বেপারী বাড়ির প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী জান্নাত আক্তার ও তাঁর শশুর রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, বাদী জান্নাত আক্তারের স্বামী দেলোয়ারের সাথে তার ছোট ভাই রবিউল ইসলাম ও মা মিনয়ারা বেগমের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমিজমা নিয়ে স্বামী দেলোয়ারে প্রবাসে থাকায় বাদী জান্নাত আক্তারকে কারনে অকারনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র কের মারধর ও নির্যাতন করেন দেবর রবিউল ও শাশুড়ি মিনয়ারা বেগম। গত শনিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিাবদী দেবর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি মিনয়ারা বেগম দলবদ্ধ হয়ে বাদী জান্নাত আক্তারকে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারধর করার জন্য বাড়ির পাশে দাদা শশুরের বাড়িতে হামলা করতে এগিয়ে আসলে বাদীর ডাকচিৎকারে বাড়ির পাশের লোকজন বাধা প্রদান করলে বাদীকে মারার হুমকি দেন বিবাদীগন।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, বিবাদী রবিউল ইসলাম ও মিনয়ারা বেগম বাদীর ঘরের প্রবেশ পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করেন। পরে গ্রামের সালিশরা এসে বাদীর প্রবেশ পথের রাস্তা বেড়া উঠিয়ে দেন।

বাদী জান্নাত আক্তার বলেন, আমার স্বামী প্রবাসে থাকেন। আমার স্বামীর দখলীয় জায়গার উপর বিল্ডিং নির্মান করলে জোরপূর্বক ভাবে দেবর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি মিনয়ারা বেগম দখল করতে চান। আমার দুইটি জমজ সন্তান রয়েছে। প্রতিনিয়ত বিবাদীগনরা আমার স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগ নিয়ে আমার উপর নানান ভাবে নির্যাতন,অত্যাচার ও মারধর করে আসছেন। আমার ছোট জমজ দুই সন্তানসহ আমাকে বাড়ির থেকে বের করে দেওয়ার জন্য হুমকি ধমকি প্রদান করছেন। আমার শশুর রফিকুল ইসলাম দেবর ও শাশুড়ির এই কর্মকান্ডের বিষয়ে ডাক দিলে উল্টো শশুরকে মারধর করে এবং বাড়ির থেকে বের করে দেন।
বিবাদী রবিউল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

Model Hospital

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।