শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

দুইদিন পর ভেসে উঠল মোহনপুর পর্যটনে পিকনিকে গিয়ে নদীতে ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৭ এম
দুইদিন পর ভেসে উঠল মোহনপুর পর্যটনে পিকনিকে গিয়ে নদীতে ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ

মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্র, ইনসেটে শিক্ষার্থী মো. আবির।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রে (মেঘনা নদী) গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে নিখোঁজের দুই দিন পর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।
নিহত ওই ছাত্রের নাম মো. আবির (১০)। সে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বাঘবের এলাকার জজ মিয়ার ছেলে এবং ভক্তবাড়ী বাজারস্থ আল আকসা রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগে ছাত্র ছিলেন।
শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আমিরাবাদ মেঘনা নদীতে নিখোঁজ মো. আবিরের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে খবর দেয়। মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় কাকা মো. ফজলুর হকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রে (মেঘনা নদী) পিকনিকে আসে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ আল আকসা রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ। সেখনে নদীর পানিতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থী মো. আবির নিখোঁজ হয়। এর দুই দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত বছরও নারায়ণগঞ্জ ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী একই স্থানে ডুবে মৃত্যু হয়। কিন্তু পর্যটন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কোন সতর্কতা অবলম্বন করেনি। সাঁতার না জানা শিশুদের নামতে দেয়া কোনভাবে ঠিক হচ্ছে না। এখানে এই ধরণের ঘটনা ঘটলে গনমাধ্যমকেও জানানো হয় না।
নিহত মো. আবিরের চাচা ফজলুল হক জানান, গত বৃহস্পতিবার আমার ভাতিজা তার মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রে পিকনিকে আসেন। পাশে মেঘনা নদীর তীরে সমপাঠিদের সাথে আনন্দ উদযাপন করার সময় মেঘনা নদীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে মোহনপুর নৌ পুলিশ, ফাঁয়ার সার্ভিস, ডুবুরিদলকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে খোঁজাখুঁজি করে না পেলে চলে যায়। পরে দুই দিন পরে আমিরাবাদ এলাকার মেঘনা নদীতে আমার ভাতিজার লাশ ভেসে ওঠে। পরে সেখান থেকে আমার ভাতিজার লাশ আমরা বাড়িতে নিয়ে আসি।
তিনি আরও বলেন, মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রে কোন নিরাপত্তা নাই, নিরাপত্তা ছাড়া তারা কিভাবে একটা পর্যটন কেন্দ্র চালু করে। আমার ভাতিজা নিখোঁজ হওয়ার পর ঐ পর্যটন কেন্দ্রের কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি।
এ বিষয়ে মোহনপুর পর্যটন লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানের মুঠোফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital