শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়া-ছোট সুন্দর ব্যস্ততম সড়ক

এই রাস্তা দিয়ে মানুষ এখন আর রিকশায় উঠতে চায় না : রিকশা চালক সেলিম

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৫৯ এম
এই রাস্তা দিয়ে মানুষ এখন আর রিকশায় উঠতে চায় না : রিকশা চালক সেলিম
চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া-ছোট সুন্দর ব্যস্ততম সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বহুদিন ধরে। খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তে পানি জমে যেন কাঁদা মাটির সড়কে পরিণত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন ও স্থানীয়রা। ফলে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি অহরহ ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে উপজেলার মধুরোড, ছোট সুন্দর, বড় সন্দর, কামরাঙ্গা বাজার, মনিহার হয়ে বাকিলা ও আলগী, পাকিস্তান বাজার, ভাটেরগাঁও, মোল্লার বাজার হয়ে শাহতলী এলাকায় যাতায়াত করেন।
এছাড়াও ডাকাতিয়া নদীর উপর ব্রিজ হওয়ায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার শত শত মানুষ এ সড়ক দিয়েই মহামায়া বাজারে আসেন প্রতিনিয়ত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহামায়া বাজার থেকে ছোট সুন্দর পর্যন্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে যায়। সড়কের উপরের পিচ উঠে অনেক জায়গায় কাঁদা জমে আছে। পাশাপাশি অনেকাংশেই সড়কের পাশ ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তী খাল কিংবা পুকুরে তলিয়ে যায়। এসব জায়গায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও স্থানীয়রা। ছোট সুন্দর বাজার থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে দুটি সড়ক গিয়েছে। সেগুলোতেও দেখা যায় একই চিত্র।
এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী ইজিবাইক চালক মহসিন ঢালী বলেন, রাস্তার যে বেহাল দশা, তাতে চলাচল করা খুবই কষ্ট। এ রাস্তায় নিয়মিত চলাচল করা যানবাহন ঘন ঘন খারাপ হওয়ায় মেরামত ব্যয়ও বেড়ে যায়। রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে আমাদের প্রতিনিয়ত কষ্ট-দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। মোটর চালিত রিকশা চালক সেলিম বলেন, রাস্তাটি ভেঙে-চুরে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় দ্রুত চলাচল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূূর্ণ। যে কারণে এ রাস্তায় চলাচল করতে অনেক সময়ও ব্যয় হয়। তাই আশপাশের যাত্রীরা এখন আর ঝুঁকি নিয়ে রিকশায় উঠতে চায় না। তারা বেশিরভাগ সিএনজিতে করেই চলাচল করছে। আর আমরা অসহায়ের মত রিকশা নিয়ে বসে থাকতে হয়।
এ সড়কে চলাচলকারী কয়েকজন পথচারী বলেন, শুনেছি ভাষাবীর সেতুর কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ শুরু করবে। কিন্তু দীর্ঘ এই সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করতেও অনেক সময়ের ব্যাপার। এতদিনে সড়কের অবস্থা আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে। তাই প্রাথমিকভাবে কিছুটা সংস্কার করে যানবাহন ও যাত্রীসাধারণের চলাচলের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানাই। এদিকে সড়কটিতে গিয়ে যায়, সড়ক পথের সকল যানবাহনই এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে আসছে প্রতিনিয়ত। বর্তমান সময়ে অত্যন্ত ব্যস্ততম এই সড়কটির দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সহ সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন নবী দৈনিক চাঁদপুর খবরকে বলেন, এই রাস্তাটি অনেক বড় হওয়ায় মহামায়া বাজার থেকে ৮০০ মিটার পর্যন্ত আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ বর্ষার মধ্যেই শুরু করা হবে। আর বাকী অংশটুকু বর্ষা শেষ হলে কার্পেটিং এর মাধ্যমে সংস্কার করার কথা জানান এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আজিজ এন্ড ব্রাদার্স এর মাধ্যমে সড়কের কাজ করা হবে। ইতিমধ্যে সড়কের দুই পাশের গাইড ওয়ালের কাজ শেষ হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital