শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৩ এম
চাঁদপুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে ও চাঁদপুর পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় বিসর্জন পর্ব পূর্বক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

চাঁদপুরে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

রোববার (১৩ অক্টোবর)বিকাল ৫ টা থেকে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ থেকে ট্রাক ও ভ্যান গাড়িতে করে শঙ্খ আর উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকঢোলের সনাতনী বাজনার সঙ্গে দেবী-বন্দনার গানের মধ্য দিয়ে ভক্তরা বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় তারা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সন্ধ্যায় ধর্মীয় রীতি অনুযায়ি চোখের জলে ধুপ, মোমবাতি আর তেল দিয়ে মাকে প্রণামের পাশাপাশি ভক্তরা কামনা করে আগামী দিনের সুখ শান্তি। এসময় একে একে চৌধুরীঘাট এলাকা সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জন পর্ব শেষ করেন।

এর আগে সকাল থেকে দুর্গাপূজায় মাকে বিদায় জানানোর জন্য মন্দিরে মন্দিরে চলে সিঁদুর খেলা। হিন্দু নারীরা প্রতিমায় সিঁদুর পরিয়ে দেন, নিজেরা একে অন্যকে সিঁদুর পরিয়ে দেন। চলে মিষ্টিমুখ, ছবি তোলা আর ঢাকের তালে তালে নাচ-গান। শেষ বেলায় দেবী দুর্গার আরাধনায় ব্যস্ত ভক্তরা। ঢাকের তালে আর কাঁসার বর্ণিল আওয়াজে খুশিতে মেতে ওঠে শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সী নারী পুরুষ।

চাঁদপুরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। একে একে চৌধুরীঘাট এলাকা সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জন পর্ব শেষ করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে ও চাঁদপুর পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় বিসর্জন পর্ব পূর্বক
আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন সরকার জয়ের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাঁদপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন পিএসসি, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, জেলা জন্মাষ্টমী কমিটির সহ-সভাপতি পরেশ মালাকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল সাহা প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক একরামুল ছিদ্দিক, চাঁদপুর এনএসআইডিডি মোহাম্মদ বদরুদ্দীন।

প্রসঙ্গ: জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের হিসাব অনুযায়ি, এবার চাঁদপুরে সর্বমোট ২শ’ ২২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital