রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ার সাচার ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির

সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম ও বিদ্যুৎসাহী সদস্য ড. মো. মহব্বত আলী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৩ এম
সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম ও বিদ্যুৎসাহী সদস্য ড. মো. মহব্বত আলী

কচুয়ায় সাচার ডিগ্রি কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম ও বিদ্যুৎসাহী সদস্য ড. মহব্বত আলীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করে নিচ্ছেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাচার ডিগ্রি কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি পদে মনোনীত হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম।

কলেজ পরিচালনা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে অব্যাহত রাখার স্বার্থে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকার গত ৩ নভেম্বর তাঁকে এ কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি পদে অনুমোদন দেন।

এছাড়া বিদ্যুৎসাহী সদস্য হিসেবে শেরেবাংলা কৃষিবিশ^বিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মহব্বত আলীকে মনোনীত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহসীন কবির। এদিকে মঙ্গলবার সকালে কলেজের নয়া সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম ও শেরেবাংলা কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহব্বত আলী এ কলেজের বিদ্যুৎসাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করে নেন কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

Model Hospital

উল্লেখ্য যে, ১৯৮৮ সালে তৎকালীন সময়ে জাতীয় পার্টির শাসনামলে এলাকার পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহনের লক্ষে সংসদ সদস্য থাকাকালীন অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম সাচার ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিন পর অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলামকে তার ভালো কাজের পুরষ্কার স্বরূপ গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত করায় আনন্দিত এলাকাবাসী।

এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমি কচুয়ার সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাকাকালীন কচুয়ায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ সমগ্র কচুয়া উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, বিদ্যুৎসংযোগ স্থাপনসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। বর্তমানে আমাকে সাচার ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপত নির্বাচিত করায় আমি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটির পূর্বের সুনাম, গুনগত ও সময়োপযোগী শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে চেষ্টা করবো।

এজন্য কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাই।

অন্যদিকে বিদ্যুৎসাহী সদস্য ড. মহব্বত আলী তার প্রতিক্রিয়ায় তাকে সাচার ডিগ্রি কলেজ গভর্নিংবডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে কাজ করার আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।