মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে বিনামূল্যে ৯হাজার ৮শ’ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:১৩ পিএম
শাহরাস্তিতে বিনামূল্যে ৯হাজার ৮শ’ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ
শাহরাস্তিতে চলতি অর্থবছরে  খরিপ-২ মৌসুমে সাম্প্রতিক বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ  কৃষকদের মাঝে ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির  লক্ষ্যে এবং বিনা মূল্যে বোরো ধানে (হাইব্রিড জাত) বীজ, সার ৯ হাজার ৮শ’ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক  কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
কৃষিই সমৃদ্ধি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, বুধবার সকালে শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পরিষদ মিলনায়তনে  এ প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
শাহরাস্তি উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ আয়শা আক্তারের সভা প্রদানে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো:  ইয়াসির আরাফাত।  তিনি বক্তব্য বলেন, সাম্প্রতিককালের বন্যায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তা থেকে উত্তরণের সরকার প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের জন্য কৃষি প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছে। আপনারা ওই প্রণোদনা ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি নির্ভর  চাষাবাদের কলাকৌশল  প্রয়োগ  করে ফসলের  উৎপাদন বাড়িয়ে  আত্মনির্ভরশীল হওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে  ভাগ্য বদলে দেশ  খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন   উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র দাস, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ ইউনুছ পাটোয়ারী, মোঃ ইসহাক খন্দকার, মোঃ শাফায়েত হোসেন, মোঃ মকবুল হোসেন,
উপ সহকারী কৃষি অফিসার বলরাম সাহাসহ সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন  ।
এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যম কর্মী,  সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ সুবিধাভোগী প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষক  উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা আরো জানায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, শাহরাস্তি, চাঁদপুর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কৃষি বান্ধব সরকার দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের অবস্থার উন্নতির লক্ষে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এবার শাহরাস্তিতে চলতি অর্থবছরে  প্রণোদনা কর্মসূচি অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে সাম্প্রতিক বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বোরো ধানে (হাইব্রিড জাত) বীজ, সার প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৬২০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ ও উফশী জাত ব্যবহারের মাধ্যমে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩৬০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এই প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় মোট উপকারভোগী কৃষক সংখ্যা হাইব্রিড উপকারভোগী ৬২০০ ও উফশী উপকারভোগী ৩৬০০ সর্বমোট ৯৮০০ জন জমির পরিমাণ ৯৮০০ বিঘা।প্রতিজন কৃষক ০১ বিঘা জমির জন্য নিম্নোক্তহারে যে কোন একটি ফসলের জন্য বীজ ও সার সহায়তা  দেওয়া হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।