বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

আস্থা গ্রুপের ক্ষুদ্র ঋণের প্রতিষ্ঠান

কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির নববর্ষের উদযাপন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:০৪ পিএম
কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির নববর্ষের উদযাপন

ইংরেজি নববর্ষের উপলক্ষে কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছেন, আস্থা গ্রুপ প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা।

দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘‘আস্থা গ্রুপের’’ ক্ষুদ্র ঋণের প্রতিষ্ঠান সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির লিমিটেডের উদ্যোগে ২০২৫সালের ইংরেজি নববর্ষের উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কেক কাটা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলার সাচার ডিগ্রী কলেজের পশ্চিম পাশে ইসলামী শরীআহ মোতাবেক পরিচালিত সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির প্রধান অফিসে নববর্ষের আয়োজন করা হয়।

শ্রমজীবি সমবায় সমিতির উপজেলার ইনচার্জ হাফেজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার মনিরুজ্জামান কামালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, আস্থা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওবায়দুল আনসারী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিইও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ,ডিরেক্টর ও সিএফও ইঞ্জি.মো.মইনুল হক,পরিচালক বশির উদ্দিন,আস্থা গ্রুপের কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন,সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির লিমিটেডের শাখা ব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন,ফিল্ড অফিসার নাজমুল সাকিবসহ সমিতির গ্রাহক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় দেশের অর্থনীতি অবদান রাখার জন্য বর্তমান যুবকদেরকে বিভিন্ন উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

Model Hospital

মাঠ পর্যায়ে কৃষকদেরকে মনোবল,কৃষি কাজে উৎসাহিত করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও বেকার যুবকদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে সাবলম্বী করার জন্য আলোচনা করা হয়।

আলোচনা শেষে সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির লিমিটেডের পক্ষ থেকে গ্রাহকদেরকে মাঝে ঋণ প্রদান ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।