রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সামাজিক সংগঠন স্বপ্নবাজ এর পক্ষ থেকে কৃতি সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে : খায়রুল আবেদিন স্বপন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:০৩ এম
লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে : খায়রুল আবেদিন স্বপন

কচুয়ায় কাদলা ইউনিয়নের স্বপ্নবাজ সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করছেন অতিথিবৃন্দ।

কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের সামাজিক সংগঠন স্বপ্নবাজ এর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক) ২০২৪ খেলায় উপজেলা পর্যায়ে ৬২ নং কাদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চ্যাম্পিয়ন অর্জন করায় কৃতি খেলোয়ারদের সংবর্ধনা ও সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কাদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের সভাপ্রধানে ও সহ-সভাপতি সরকার মেহেদী হাসান রাসেল ও ক্রীড়া সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলামের যৌথ সঞ্চলনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদিন স্বপন।

এসময় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের মূল্যায়ন করলে তারা বেশি বেশি উৎসাহ পায় এবং আরও উদ্যমী হয়ে ওঠে। শিক্ষর্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতাকে আরও বেগবান করতে আজকের এই আয়োজন। আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে সুশিক্ষা মানুষ গড়ে তাদের আগামী ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে হবে।

Model Hospital

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার সুভাস চন্দ্র সরকার,সাবেক ব্যাংকার মাহবুবুর রহমান,বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জি.মুজিবুর রহমান,কাদলা খাদিজাতুল কোবরা মহিলা আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক জান্নাতুল আলম মজুমদার আলমগীর,প্রধান শিক্ষক মো.মফিজুল ইসলাম,সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সোলাইমান সোহেল তানভীর,সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার অভি,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় স্বপ্নবাজ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গন্যামন্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সামাজিক সংগঠন স্বপ্নবাজ এর সভাপতি মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, ‘‘আমরাই পারবো’’ এই স্লোগান নিয়ে কাদলা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও গ্রামে শিক্ষা,স্বাস্থ্য,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি,অসহায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ানো,মাদকমুক্ত,বাল্যবিবাহ ও সমাজের সকল অন্যায় কাজ প্রতিরোধ করার লক্ষে আমাদের এই স্বপ্নবাজ গঠন কাজ করে যাচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে এই সংগঠনটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়নে সুনাম অর্জন করবে। স্বপ্নবাজ সংগঠনকে সমাজের সেবামূলক কাজ করার জন্য সকলে সার্বিক সহযোগীতা করবেন।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপহারসামগ্রী প্রদান এবং আগত সকল অতিথিবৃন্দ ও অভিভাবকদের মাঝে উপহার বিতরণের মাধ্যমে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।