বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:০৩ পিএম
কচুয়ায় দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মো. রাছেল : পরকীয়ার জের ধরে প্রেমিকার সঙ্গে অভিমান করে দুই সন্তানের জননী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দুই সন্তানের জননী বালিকা রানী (২৮) লাশ উদ্ধার করে কচুয়া থানায় নিয়ে আসে। শুক্রবার দুপুরে কচুয়া উপজেলার উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের জলা তেতৈয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বালিকা রানীর দেবর ছোটন চন্দ্র জানান, আমার বড় ভাই (দয়াল) বৌদ্ধ প্রবাসে থাকার সুযোগে আমার বৌদি বালিকা রানী আমাদের বাড়ির পাশের দোকানদার কালু সরকারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে আমার বাবা মা ও আমরা পরিবারের সবাই মিলে বৌদিকে কয়েক বার বুঝানোর পরেও বৌদি শুধরায়নি। তারপর আমরা তার বাবা জীবন মজুমদারকে বিষয়টি জানালে তিনি ও বৌদিকে বুঝানোর চেষ্টা করে তাতেও কোন কাজ হয়নি। আমি কালু সরকারকে কয়েক বার বুঝানোর পরেও সে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল।

নিহত বালিকার রানীর শ^শুর ক্ষিতিশ চন্দ্র জানান, সকাল থেকে আমার বউমা মোবাইলে কে বা কাহার সাথে উচ্চ বাক্যে কথা বলতে দেখেছি। তার কথা ও আচার আচারণ অসংগতি লক্ষ্য করা গেছে। তারপর থেকে সে কারো সাথে কথা না বলে ঘরে চলে যায়। আমার দুই নাতি খেলাধুলা শেষ করে ঘরের দরজা ও জানালা বন্ধ থাকায় ডাকাডাকি করতে থাকে। পরে আমরা বাড়ির লোকজন জরো হয়ে বউমাকে ডাকাডাকি করলেও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরের বেড়ার টিন খোলে দেখি আমার বউমা বালিকা রানী ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে রয়েছে। পরে বিষয়টি কচুয়া থানা পুলিশকে অবগতি করি।

নিহত বালিকা রানীর বাবা জীবন মজুমদার জানান, আমার জামাই (দয়াল) প্রবাসে থাকায় সে সুযোগে আমার মেয়ে বালিকা বাড়ির পাশের দোকানদার কালু সরকারের সাথে পরকীয়ার প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। প্রেমে জড়িয়ে পড়া বিষয়টি আমার বেয়াই ক্ষিতিশ চন্দ্র আমাকে জানালে আমি আমার মেয়ে বালিকাকে অনেক বার বুঝানোর চেষ্টা করি। তারপরেও সে শুধরায়নি। আজ পরকীয়ার বলি হলো আমার মেয়ে।

Model Hospital

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কালু সরকারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে কালু সরকার পালাতক ও তার দোকানও বন্ধ রয়েছে।

কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) ছোনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরসহ অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।