রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আজ সকাল ৯টায় রামপুর মাদ্রাসা মাঠে জানাজা নামাজ

রামপুর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর মাঈনুদ্দিন আর নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৫৩ পিএম
রামপুর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর মাঈনুদ্দিন আর নেই

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সদর উপজেলার রামপুর আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আবু জাফর মোঃ মাঈনুদ্দিন (৫৬) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (২০ জানুয়ারি ২০২৫) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আজ (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাঁর নিজ বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নস্থ রামপুর গ্রামের পীর বাড়ির সামনে রামপুর মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে গতকাল বাদ এশা চাঁদপুর শহরের বাহের খলিশাডুলী কাদেরিয়া চিশতিয়া তাহেরিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা  অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

জানাজায় চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, যুবসেনা, গাউছিয়া কমিটিসহ বিভিন্ন তরিকরপন্থী সংগঠন এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম ও সিলিসিলায়ে কাদেরিয়া আলিয়া সিরিকোট দরবার শরীফের অসংখ্য মুরিদ অংশ নেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান জননেতা মাওলানা এমএ মতিন, মহাসচিব সউম আবদুস সামাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডঃ আবু নাছের তালুকদার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব অ্যাডঃ ইসলাম উদ্দিন দুলাল, প্রচার সচিব মাস্টার আবুল হোসেন, প্রকাশনা সচিব, সৈয়দ আবু আজমসহ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় অনেক নেতৃবৃন্দ এবং জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, জেলা গাউছিয়া কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শাহজামাল তালুকদার, যুবসেনার জেলা সভাপতি অধ্যাপক বজলুর রশিদ সোহেল, সাধারণ সম্পাদক নবাব খান, ছাত্রসেনার জেলা সভাপতি কামরুল হাসান বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ শাহাদাত হোসেন জাহিদসহ অসংখ্য ওলামায়ে কেরাম জানাজায় অংশ নেন।

জানা যায়, অধ্যক্ষ আবু জাফর মোঃ মাঈনুদ্দিন গতকাল সোমবার দুপুরে নিজ মাদ্রাসায় কর্মস্থলে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। ব্যথা বাড়তে থাকায় তাঁকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা নেয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকা নেয়ার প্রস্তুতিকালেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে, অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, গুণগ্রাহী, শুভাকাক্সক্ষী এবং আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

তাঁর মৃত্যুতে রামপুর ইউনিয়ন এবং সুন্নী অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।