বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে মাঠের অভাবে খেলাধূলা ও সহ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:১৯ পিএম
শাহমাহমুদপুরে মাঠের অভাবে খেলাধূলা ও সহ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত কোমলমতি শিশুরা
মাসুদ হোসেন : শিশুদের মূল বিকাশই হয় খেলাধুলার মাধ্যমে। পড়ালেখার বাইরে মাঠে শিশুরা দৌড়াবে, খেলবে। তবেই না শিশুরা ভালো থাকবে। আনন্দে থাকবে। আর আনন্দের মাধ্যমে শেখাটাই হলো প্রকৃত শেখা। আর এর ভিন্নতা পাওয়া যায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ১৫৫নং ভড়ঙ্গারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মাঠের অভাবে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হলেও ব্যহত হচ্ছে সহশিক্ষা কার্যক্রম। সেই সাথে শারীরিক কসরত ও খেলাধুলা করার সুযোগ হতে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ফলে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হচ্ছে না কোমলমতি শিশুদের মেধা। মাঠের অভাবে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পরিচালনা করতে পারে না সহশিক্ষা কার্যক্রম।
শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের কিছু প্রতিষ্ঠানে বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্নভাবে শ্রেণিকক্ষে জাতীয় সঙ্গীত-শপথ বাক্য পাঠ করানো হলেও খেলাধুলা ও শরীর চর্চা হয়না এ বিদ্যালয়টিতে। এতে করে অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়ছে ভড়ঙ্গারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৬ জানুয়ারি) চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ১৫৫নং ভড়ঙ্গারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মানুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে ৩৩ শতাংশ জায়গা প্রয়োজন। এতে বিদ্যালয়ের ভবন তৈরির পর খেলাধুলার জন্য মাঠ থাকবে। কিন্তু এ বিদ্যালয়টির যাথাযথ জমি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানের পর অবশিষ্ট জায়গা পরে আছে পার্শ্ববর্তী ২টি পুকুরে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের সামনের পুকুরটিতে বেশিরভাগ জমি পড়ে আছে। সে অংশটুকু ভরাট করলে শিশুদের খেলাধুলার অধিকার আদায় হয়ে যেতো।
বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে। তাদের লেখা পড়ার মান উন্নত থাকলেও পিছিয়ে পরছে সহশিক্ষা কার্যক্রম আর শারিরীক শিক্ষায়। সরেজমিনে গিয়ে আরো দেখা যায়, বিদ্যালয় ঘেষা পুকুরগুলোতে শিশুদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন জাগে। সাঁতার না জানা শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের অজান্তে পানিতে পড়ে গিয়ে নিভে যেতে পারে জীবন প্রদীপ। অবিভাবকরাও এ নিয়ে খুব দুঃচিন্তায় পরে যান তাদের কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম হাওলাদার জানায়, মাঠের অভাবে বিদ্যালয়টিতে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হয় না। এতে করে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যার কারনে উপজেলা পর্যায়ের কোনো খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় না এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। সেই সাথে ব্যহত হচ্ছে সহশিক্ষা কার্যক্রমও।
খেলাধুলার অভাবে শিশুরা অমনযোগী হয়ে পড়ছে পড়াশোনায়। হীনমন্যতায় ভোগার পাশাপাশি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভালোভাবে গড়ে তুলতে বিদ্যালয়টিতে খেলার মাঠ অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন এই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, অত্র এলাকার শিশু শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়ের পুকুর ভরাটের মাধ্যমে খেলাধুলার পাশাপাশি সরকারি সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য চাঁদপুর-হাইমচর মাটি ও মানুষের নেত্রী শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি এমপিসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি একটি সমস্যা জনিত কারনে বক্তব্য দিতে পারেননি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital