মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

পহেলা বৈশাখে আমাদের লক্ষ্য মানুষের কল্যানে কাজ করা : ওয়াসিম পাটওয়ারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:৪৯ পিএম
পহেলা বৈশাখে আমাদের লক্ষ্য মানুষের কল্যানে কাজ করা : ওয়াসিম পাটওয়ারী

চাঁদপুরে ব্যতিক্রম আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রাফিউস সাহাদাত ওয়াসিম পাটওয়ারী।

এ উপলক্ষে পহেলা বৈশাখ সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

চাঁদপুর শহরের ১১নং ওয়ার্ডস্থ তার নিজ বাসভবনে এই আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর চাঁদপুর পৌর এলাকার শতাধিক দরিদ্র মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং মিষ্টিমুখ করানো শেষে খাদ্য সামগ্রী উপহার দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রাফিউস সাহাদাত ওয়াসিম পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা এবং মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য  আমৃত্যু লড়াই করেছেন। যে বাংলাদেশের সকল মানুষ সমানভাবে বেঁচে থাকার অধিকার পাবে। জিয়াউর রহমান এদেশের বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। শেখ মুজিবুর রহমানের রেখে যাওয়া বাদশাল থেকে তিনি গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছিলেন।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, বাঙালি জীবনের অসাম্প্রদায়িক এবং সর্বজনীন একটি উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ তথা বর্ষবরণ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরে ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করছে। এই দিনটি পুরো বাঙালি জাতি আনন্দ উৎসবের সাথে পালন করে। অথচ এমন দিনেও আমাদের প্রতিবেশী অনেকেই ভালো খাবার খেতে পারেন না। পহেলা বৈশাখে কেউ ভালো খাবার খাব, আর তার প্রতিবেশী না খেয়ে থাকবে, তাহলে এইদিনের কোন সার্থকতা থাকে না। এজন্যই আমি আমার সাধ্যমত অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিয়ে নববর্ষ পালন করছি। পহেলা বৈশাখে আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কল্যানে কাজ করা।

চাঁদপুরে সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ খানের সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রদল নেতা এডভোকেট আরিফ মাহমুদ সোহাগের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ বেপারী।

এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরকত পাটওয়ারী, সাহাদাত গাজী, নাজির মোল্লা, দুলাল পাটওয়ারী, মাইনদ্দিন গাজী, মুন্না বেপারী, ভুট্টা আখন, ফারুক সর্দার, কাসিম, মনির, রবিউল সর্দার প্রমূখ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।