সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ছয় দফা দাবিতে

চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার কারগরি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:৫২ পিএম
চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার কারগরি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সংবাদ সম্মেলন।

জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত বাতিলসহ পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক ছয় দাবিতে চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অডিটর রুমে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ৬ দফা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি আবু সুফিয়ান। এছাড়াও ৬ দফা যৌক্তিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন,ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি আরাফত সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল ফাহিম,মো.শাহজালাল প্রমুখ।

ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা বলেন, কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ কর্তৃক প্রধানকৃত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওযা পর্যন্ত সারা দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কারিগরি শিক্ষার্থীরা যৌক্তিক দাবির জন্য আন্দোলন করে যাবে। আমাদের দাবি মেনে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে যত দেরি করবেন, আমরা তত কঠিন হতে কঠিন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।

Model Hospital

তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময় হাইকোর্টের একটি রিটের সিদ্ধান্ত প্রকাশ হয়েছে, যেখানে বলা হচ্ছে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টররা পদোন্নতি পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে আমরা শিক্ষার্থী সমাজ কালো রিট আখ্যা দিচ্ছি। ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের সাধারণ যোগ্যতা এইচএসসি-এসএসসি পাস। বাংলাদেশে মনে হয় না এমন কোনো সেক্টর আছে যেখানে এইচএসসি-এসএসসি পাস কোনো ব্যক্তি তার অভিজ্ঞতার জন্য শিক্ষক পদে পদোন্নতি পায়। কোনো সেক্টরে যদি এমন ঘটনার চেষ্টা করা হয় তাহলে তা হবে ওই সেক্টর ধ্বংসের সূচনা। হাইকোর্টের প্রকাশ কালো রিট শুনানি বাতিল করে শিক্ষার্থীদের ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

তারা আরো বলেন, সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপেই আমরা মনে করি কারিগরি শিক্ষা সংস্কার সম্ভব হবে। উনার চিন্তা ধারা যেমন আধুনিক ও যৌক্তিক, তেমন আমাদের দফাগুলোও যৌক্তিক। আমরা সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস স্যারের সাথে কারিগরি সেক্টরের সকল অনিয়ম এবং অন্যায় এর পাশাপাশি কিভাবে কারিগরি সেক্টরকে আধুনিক বিশ্বের মত আন্তর্জাতিক ভাবে মান সম্পন্ন করা যায় সেই সম্পর্কে আলোচনা করতে আগ্রহী। এর আগে অনেকেই কথা দিয়েছে কিন্তু কথা রাখেনি। আশাকরি প্রধান উপদেষ্টা আমাদের দাবিগুলো ও সার্বিক সহযোগিতা করবে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।