মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় এক পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৫৫ পিএম
কচুয়ায় এক পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের কেশরকোট গ্রামের হাবিবুর রহমানকে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে ওই গ্রামের মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে।

রবিবার হাবিবুর রহমান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কচুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যাহার নং ১৪৮২।

থানার ডায়েরি সূত্রে হাবিবুর রহমান জানান, গত ৪ বৎসর পূর্বে জমির মাটি কাটা নিয়ে একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মাসুদ আলমের সাথে বিরোধ চলে আসছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র বিবাদী মাসুদ আলমের মেয়ে রুমা আক্তারকে অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে একাধিক হয়রানি মূলক মামলা করে মানষিক,শারিরীক,আর্থিক এবং সামাজিক ভাবে ক্ষতি সাধন করে আসছেন।

গত ২৬ শে এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় বিবাদী মাসুদের বিবাহীত মেয়ে রুনা আক্তারকে দিয়ে পুনরায় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য সবার অগোচরে আমার বসত ঘরে ঢুকাইয়া দেয়। পরে আমি এলাকার লোকজনকে জানিয়ে কচুয়া থানায় ৯৯৯ সংবাদ দিলে এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে রুনা আক্তারকে তাহার বিবাদী মাসুদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

Model Hospital

আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা ঘটনাকে বাস্তবায়ন না করতে পেরে গতকাল রবিবারে দুপুরে বিবাদী মাসুদ ৯৯৯ ফোন দিয়ে আমি ও আমার লোকজন নিয়ে তাহার বাড়ীঘর ভাঙচুর করতেছি। ওই সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া থানা পুলিশ এসআই মিন্ট কুমার সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিবাদী মাসুদ এর বাড়ীতে ঘটনার স্থলে গিয়ে কোন ভাঙচুরের ঘটনা সত্যতা পাইনি।

বিবাদী মাসুদ আলম আমার কোনরোপ ক্ষতি সাধন না করতে পেরে সুযোগ বুঝে আমাকে এবং আমার ছেলেদেরকে প্রাণে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, বিবাদী মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে আমাকে হয়রানির ঘটনার অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয়-স্থানীয় পত্রিকায় একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানষিক,শারিরীক, আর্থিক এবং সামাজিক ভাবে ক্ষতি সাধন করছে মাসুদ আলম। এছাড়াও মাসুদ আলম দলবল নিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনের উপর একাধিক বার হামলা করেছেন।

আমি প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ন্যায় বিচার দাবী করছি।

বিবাদী মাসুদ আলমের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহারিত মোবাইলে ফোন দিলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।