কচুয়ায় এক পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি
কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের কেশরকোট গ্রামের হাবিবুর রহমানকে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে ওই গ্রামের মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে।

রবিবার হাবিবুর রহমান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কচুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যাহার নং ১৪৮২।

থানার ডায়েরি সূত্রে হাবিবুর রহমান জানান, গত ৪ বৎসর পূর্বে জমির মাটি কাটা নিয়ে একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মাসুদ আলমের সাথে বিরোধ চলে আসছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র বিবাদী মাসুদ আলমের মেয়ে রুমা আক্তারকে অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে একাধিক হয়রানি মূলক মামলা করে মানষিক,শারিরীক,আর্থিক এবং সামাজিক ভাবে ক্ষতি সাধন করে আসছেন।

গত ২৬ শে এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় বিবাদী মাসুদের বিবাহীত মেয়ে রুনা আক্তারকে দিয়ে পুনরায় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য সবার অগোচরে আমার বসত ঘরে ঢুকাইয়া দেয়। পরে আমি এলাকার লোকজনকে জানিয়ে কচুয়া থানায় ৯৯৯ সংবাদ দিলে এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে রুনা আক্তারকে তাহার বিবাদী মাসুদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা ঘটনাকে বাস্তবায়ন না করতে পেরে গতকাল রবিবারে দুপুরে বিবাদী মাসুদ ৯৯৯ ফোন দিয়ে আমি ও আমার লোকজন নিয়ে তাহার বাড়ীঘর ভাঙচুর করতেছি। ওই সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া থানা পুলিশ এসআই মিন্ট কুমার সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিবাদী মাসুদ এর বাড়ীতে ঘটনার স্থলে গিয়ে কোন ভাঙচুরের ঘটনা সত্যতা পাইনি।
বিবাদী মাসুদ আলম আমার কোনরোপ ক্ষতি সাধন না করতে পেরে সুযোগ বুঝে আমাকে এবং আমার ছেলেদেরকে প্রাণে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন, বিবাদী মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে আমাকে হয়রানির ঘটনার অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয়-স্থানীয় পত্রিকায় একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে মানষিক,শারিরীক, আর্থিক এবং সামাজিক ভাবে ক্ষতি সাধন করছে মাসুদ আলম। এছাড়াও মাসুদ আলম দলবল নিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনের উপর একাধিক বার হামলা করেছেন।
আমি প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ন্যায় বিচার দাবী করছি।
বিবাদী মাসুদ আলমের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহারিত মোবাইলে ফোন দিলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।





