মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি হলেন বিল্লাল মজুমদার

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১০:৩৯ পিএম
কচুয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি হলেন বিল্লাল মজুমদার
কচুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন  নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন।
৩ বছর মেয়াদী  কমিটির সভাপতি পদে করইশ পশ্চিম পাড়া সমবায় সমিতির মো: বিল্লাল হোসেন মজুমদার ,সহ-সভাপতি পদে করইশ পূর্ব পাড়া সমবায় সমিতির মো; জাকির হোসেন নির্বাচিত হয়।
সদস্য পদে  ১ নং ব্লকে আলমগীর হোসেন চৌধুরী,২ নং ব্লকে কামাল উদ্দিন,৩ নং ব্লকে আবদুল আজিজ,৪ নং ব্লকে ইমাম হাছান,৫ নং ব্লকে সফিকুল ইসলাম ও ৬ নং ব্লকে মো. মনির হোসেন নির্বাচিত হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে কোন পদে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করায় সকল পদের বৈধ  প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়।
এ সময় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো; আবুল হাছানাত,উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব আলম মৃধা, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কমিশনার,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম,সাংবাদিক,বিভিন্ন সমিতির সদস্য ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের পর বিকেলে বিআরডিবির কার্যালয়ে নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. বিল্লাল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে নবনির্বাচিত কমিটিকে বিআরডিবির কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় নব নির্বাচিত সভাপতি বলেন, সমিতির অনাদায়ী ঋন উত্তোলন করে অকার্যকর  সমিতিগুলি কার্যকর করা, সমিতির জায়গায় নিয়ে চলমান মোকাদ্দমা নিষ্পত্তি করে কচুয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতিকে একটি আদর্শ সমিতি হিসেবে গড়ে তুলতে সকল সদস্যদের সহযোগীতা কামনা করছি।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।