মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে

কচুয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ৭:২৬ পিএম
কচুয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

কচুয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন, উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান।

কচুয়ায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশ স্থাপিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপি সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কচুয়া সরকারি ডিগ্রী কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা বিএনপির সমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস,উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, আব্দুল খালেক, জাহাঙ্গীর আলম,পৌর বিএনপির সভাপতি বিল্লাল হোসেন মজুমদার,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কমিশনার, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মোঃ কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুর আহমদ আজাদ,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম তরিক, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী গাজী শাহীন।

Model Hospital

বক্তব্য রাখেন,পৌরসভা জিয়া পরিষদের সভাপতি নওশের আলম, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিব উন নবী সুমন,উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মানিক হোসেন, পৌর যুবদলের সভাপতি সফিকুল ইসলাম,উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন আবেগ , সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী,পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম শরিফ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহ আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মমিন আহমেদ জিসান, কচুয়া সরকারি ডিগ্রী কলেজের ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান,যুবদল নেতা আতিকুর রহমান বাচ্চু প্রমুখ।

এ সময় উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন,উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাও.মো.কবির হোসেন।

একই দিনে কচুয়া পৌরসভার বড় মসজিদ, ডাকবাংলো ঈদগাঁও জামে মসজিদসহ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মিলাদ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।