সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে কৃষি জমির‘টপ সয়েল’ কাটায় কমে যাচ্ছে ফসল উৎপাদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১২:১৫ পিএম
ফরিদগঞ্জে কৃষি জমির‘টপ সয়েল’ কাটায় কমে যাচ্ছে ফসল উৎপাদন

এস. এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের একাধিক স্থানে কৃষি জমি থেকে ‘টপ সয়েল’ অর্থাৎ মাটির উপরিভাগের অংশ কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়। এতে জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় কমছে ফসলের উৎপাদন। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেনি প্রশাসন। কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে অল্প দামে মাটি কেনেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। এতেকমে যাচ্ছে ফসলি জমির প্রয়োজনীয় জৈব সার।

সচেতন মহল মনে করছেন, জমির উপরিভাগের মাটি কাটলে সেখানকার প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত জমি আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় বছর। উপজেলাজুড়ে চলতে থাকা ‘টপ সয়েল’ কাটা বন্ধ না হলে কৃষিতে বিপর্যয় নামার শঙ্কা করছেন তারা।

সরেজমিন উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের দেইচর, সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষীপুর, গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের গুপ্টি এলাকাসহ উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ধানের জমি থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। মাটি ব্যবসায়ীরা কৃষকদের অল্প টাকা দিয়ে জমির উপরিভাগের ২ থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত কেটে অবৈধ ট্রাক্টরে করে নিয়ে যাচ্ছে। এ মাটিউপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইটভাটাসহ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।

উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের একাধিক কৃষক বলেন, মাটি ব্যবসায়ীরা স্থানীয়দের বলে থাকেন, জমির উপরিভাগের মাটি কাটলে উর্বরতা বাড়ে। এ কথা মেনে অল্প টাকায় মাটি বিক্রি করছেন কৃষকরা। মাটি উত্তোলন বন্ধ না করলে উপজেলায় কৃষিতে উৎপাদন বিপুল পরিমাণ কমে যাবে।

Model Hospital

এ বিষয়ে বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বাহাউদ্দিন বাবলু বলেন, ফসলি জমির মাটিকাটার ফলে সাধারন কৃষক এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষতি কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশিক জামিল মাহমুদ বলেন, ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের তুলনায় জৈব সার বেশি কার্যকরী। জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়ায় জৈব সারের পরিমাণ কমে ও মাটির পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে ফসল উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে যাওয়ার আগে এ মাটি কাটা বন্ধ করা জরুরি।

শাহমাহমুদপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের নিয়ে বিএনপির আলোচনা সভা

মাদকের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
মাদকের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থীদের নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আলোচনা সভা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হযরত আলী ঢালী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এই শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থী হিসেবে ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়েছেন ৮৩ জন। কিন্তু এ ইউনিয়নটিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন মাত্র ১৩ জন। বাকী ৭০ জনই বাদ পরবেন। তাই চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইয়ের নির্দেশনায় বিএনপির সাংগঠনিক ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে একাধিক ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, মাদকের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না। তাই এমপি মহোদয়ের মনোনীত প্রতিনিধির উপস্থিতিতে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের ডোপ টেষ্ট বাধ্যতামূলক। সেই রিপোর্ট উপজেলা বিএনপি বরাবর দাখিল করতে হবে। এমনকি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কোন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে, তাদেরকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে উপজেলা বিএনপি বরাবর পদত্যাগ পত্র জমা দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত গণতান্ত্রিক আনন্দোলন সংগ্রামে যে সকল নেতৃবৃন্দ নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং হাইব্রিড প্রার্থীদের আগামী ৫ বছর দলের কাজ করার পর তাদেরকে পরবর্তী নির্বাচনে বিবেচনা করা হবে। সেই সাথে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী চেয়ারম্যান কিংবা মেম্বার প্রার্থী হতে পারবেন না। যে সকল নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার বা অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সে সকল নেতাকর্মী প্রার্থী হওয়ার কোন সুযোগ নাই। জেলা ও সদর উপজেলা বিএনপি’র সমন্বয়কবৃন্দ একক প্রার্থী নির্ধারণে যথাযথ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সমন্বয়ক আক্তার হোসেন সাগর, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবদল নেতা জুলহাস আহমেদ জুয়েল, পৌঁর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি কাউছার আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আল ফারুক শাহরিয়ার প্রমূখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক, সহ সভাপতি এস এম বাকের খন্দকার, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ খান, সহ সভাপতি মোশাররফ কারী, নজরুল ইসলাম বাবলু, দেলোয়ার হোসেন দুলু, সাবেক সহ সভাপতি কবির হোসেন রনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক কবিরাজ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মল্লিক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল খান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফ তালুকদার, সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব গাজী, সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সোহেল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হাজী, অলিউল্লাহ গাজী, শাহ মাহমুদ সেলিম হাজী, কাসিম গাজী, যুবদল নেতা শওকত কারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গাজী নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস পাটওয়ারী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মিজি, ছাত্রদল নেতা সজিব পাটওয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী পারুল আক্তার, ইউনিয়ন তাঁতীদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মল্লিক, ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি সোহাগ খান, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আলমগীর খান সহ ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডের বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।