সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে প্রশাসন-ব্যবসায়ী সমন্বয়ে ঠাকুরবাজার হবে সুরক্ষিত : ইউএনও

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৮ পিএম
শাহরাস্তিতে প্রশাসন-ব্যবসায়ী সমন্বয়ে ঠাকুরবাজার হবে সুরক্ষিত : ইউএনও
শাহরাস্তি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরবাজারে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে ১৬টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার  (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে  বাজার কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  (ইউএনও) নাজিয়া হোসেন এর উদ্বোধন করেন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার পিপিএম বার, বাজার কমিটির সভাপতি আক্তার হোসেন পাটোয়ারী,পৌরসভার উপ-প্রকৌশলী মোঃ হাসানুজ্জামান, মোঃ নোমান হোসেন, বাজার সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক গনি, সহ-সভাপতি বাবু মানিক বনিক ও আঃ জব্বার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজির হোসেন পাটোয়ারী, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস রানা, কোষাধ্যক্ষ মাওঃ ইকরামুল হকসহ বাজারের বিভিন্ন ট্রেডের অন্তত দুই শতাধিক ব্যবসায়ী।
সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। এসময় ইউএনও নাজিয়া হোসেন বলেন, “শাহরাস্তির বাজারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। ইতোমধ্যে যেসব সংস্কার কার্যক্রম হয়েছে, সেগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সব সমস্যার সমাধান করা হবে।”
বাজার কমিটির সভাপতি আক্তার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, “সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে বাজারের ব্যবসায়ীরা আরও সুরক্ষিত হবেন। এতে চুরি, ডাকাতি ও অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।”
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, “সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে বাজারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে। পুলিশও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”
পরে ইউএনও বাজারের বিভিন্ন সেট ও গলিপথ ঘুরে দেখেন এবং দোকানিদের কাছ থেকে সরাসরি সমস্যা শোনেন। এরপর বাজারে বিভিন্ন কোণে মোট ১৬টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
বাজার কমিটির ব্যবসায়ী বৃন্দ মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং বাজার অপরাধমুক্ত রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
একই সঙ্গে যানজট নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত উদ্যোগে বাজারটি আরও সুন্দর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম হাসপাতালে, চিকিৎসায় সহযোগিতা চাইলেন চেয়ারম্যান স্বপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম হাসপাতালে, চিকিৎসায় সহযোগিতা চাইলেন চেয়ারম্যান স্বপন

একটি পরিবারের বেঁচে থাকার স্বপ্ন, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যাশা—সবকিছুই যেন আজ থমকে গেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম মজুমদার কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের প্রতি সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন ৪ নম্বর কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মানবিক আবেদন জানান।

আবেদনে চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন উল্লেখ করেন, হাজীগঞ্জ উপজেলার ভাটরা গ্রামের বাসিন্দা শুকুর আলম মজুমদার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় পরিবারটি এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে।

এ অবস্থায় এলাকার বিত্তবান, হৃদয়বান ও মানবিক মানুষের প্রতি নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী শুকুর আলমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Model Hospital

চেয়ারম্যানের আবেদনে বলা হয়, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও এই কঠিন সময়ে শুকুর আলমের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি, এ ধরনের হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে আহত শুকুর আলমের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন।

যেভাবে সহযোগিতা করবেন

শুকুর আলম মজুমদারের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে তাঁর পরিবারের বিকাশ নম্বর:

বিকাশ: 01871660298

আসুন, বিপদের এই কঠিন সময়ে আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই। আমাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো একজন অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ সহজ হবে, ফিরে আসবে একটি পরিবারের মুখে হাসি।

মানুষ মানুষের জন্য—মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিন।