সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তর দক্ষিণে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচনী শোডাউন

নির্বাচিত হলে মতলবে ভবেরচর-গজারিয়া সেতু বাস্তবায়ন করব : মুফতী মানসুর আহমেদ সাকী

এইচ.এম নিজাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫১ পিএম
নির্বাচিত হলে মতলবে ভবেরচর-গজারিয়া সেতু বাস্তবায়ন করব : মুফতী মানসুর আহমেদ সাকী

চাঁদপুর-২ আসনে ইসলামী আন্দোলনের পার্থী মুফতী মানসুর আহমদ সাকীর গণসংযোগ।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর দক্ষিণ) আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেছেন ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতী মানসুর আহমদ সাকী।
মঙ্গলবার সকালে মতলব উত্তর উপজেলার শ্রীরায়ের চর বাজার থেকে শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করেন তিনি। এসময় দলীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নির্বাচনী শোডাউন ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় চাঁদপুর-২ আসনের প্রার্থী ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারী জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী বলেন, ৫৪ বছরের অন্যায়ের জবাব দেবে ইসলামী রাজনীতি। দেশের মানুষ যে অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সেই অধিকারগুলো ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ।
তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে জুলুম-নির্যাতন, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। এ লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
মুফতী মানসুর আহমদ সাকী বলেন, মতলবের মানুষ এখনো তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পায়নি। এ এলাকার যে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। ঢাকা থেকে মতলবের দূরত্ব খুব কম হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে অর্থনৈতিকভাবে এ অঞ্চল পিছিয়ে আছে। আমরা ক্ষমতায় এলে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাব।
তিনি আরও বলেন, কালীপুর থেকে ভবেরচর-গজারিয়া পর্যন্ত যে সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনায় আছে, আমরা নির্বাচিত হলে সেই সেতু বাস্তবায়ন করব। এতে ঢাকার সঙ্গে মতলবের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হবে এবং মতলবের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে।
আগামী নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকের প্রতি জনগণের সাড়া প্রসঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের এ নেতা বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশজুড়ে মানুষের একটাই প্রত্যাশা ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা। ৫৪ বছর অনেক দল, অনেক প্রতীক দেখেছে মানুষ, এখন তারা ইসলামকে চায়। সেই জায়গা থেকেই আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মতলবের মানুষ দল-মত নির্বিশেষে পরিবর্তন চায়, সেই পরিবর্তনের জন্যই তারা হাতপাখা বেছে নেবে।
মুফতি সাকী বলেন, আমরা বিজয়ী হতে পারলে মতলবকে একটি শান্তিময়, নিরাপদ, মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজে পরিণত করব।
গণসংযোগ ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মাওলানা মাকসুদুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা আফসার উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল আহমদ, কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান আল হাবিবী, জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মুফতী ইমরান হোসাইন, ইসলামী আন্দোলনের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সভাপতি মাওলানা আনসার আহমেদ, উত্তর উপজেলা সভাপতি হাফেজ হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারি ডালিম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের নেতা আতাউল্লাহ মহসিন ও পৌর সভাপতি গাজী এমদাদুল হক মানিক।

শাহমাহমুদপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের নিয়ে বিএনপির আলোচনা সভা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
শাহমাহমুদপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের নিয়ে বিএনপির আলোচনা সভা
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদপ্রার্থীদের নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আলোচনা সভা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হযরত আলী ঢালী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এই শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থী হিসেবে ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়েছেন ৮৩ জন। কিন্তু এ ইউনিয়নটিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন মাত্র ১৩ জন। বাকী ৭০ জনই বাদ পরবেন। তাই চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইয়ের নির্দেশনায় বিএনপির সাংগঠনিক ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে একাধিক ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, মাদকের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না। তাই এমপি মহোদয়ের মনোনীত প্রতিনিধির উপস্থিতিতে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের ডোপ টেষ্ট বাধ্যতামূলক। সেই রিপোর্ট উপজেলা বিএনপি বরাবর দাখিল করতে হবে। এমনকি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কোন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে, তাদেরকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে উপজেলা বিএনপি বরাবর পদত্যাগ পত্র জমা দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত গণতান্ত্রিক আনন্দোলন সংগ্রামে যে সকল নেতৃবৃন্দ নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং হাইব্রিড প্রার্থীদের আগামী ৫ বছর দলের কাজ করার পর তাদেরকে পরবর্তী নির্বাচনে বিবেচনা করা হবে। সেই সাথে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী চেয়ারম্যান কিংবা মেম্বার প্রার্থী হতে পারবেন না। যে সকল নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার বা অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সে সকল নেতাকর্মী প্রার্থী হওয়ার কোন সুযোগ নাই। জেলা ও সদর উপজেলা বিএনপি’র সমন্বয়কবৃন্দ একক প্রার্থী নির্ধারণে যথাযথ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সমন্বয়ক আক্তার হোসেন সাগর, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবদল নেতা জুলহাস আহমেদ জুয়েল, পৌঁর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি কাউছার আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আল ফারুক শাহরিয়ার প্রমূখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক, সহ সভাপতি এস এম বাকের খন্দকার, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ খান, সহ সভাপতি মোশাররফ কারী, নজরুল ইসলাম বাবলু, দেলোয়ার হোসেন দুলু, সাবেক সহ সভাপতি কবির হোসেন রনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক কবিরাজ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মল্লিক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল খান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফ তালুকদার, সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব গাজী, সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সোহেল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হাজী, অলিউল্লাহ গাজী, শাহ মাহমুদ সেলিম হাজী, কাসিম গাজী, যুবদল নেতা শওকত কারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গাজী নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস পাটওয়ারী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মিজি, ছাত্রদল নেতা সজিব পাটওয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী পারুল আক্তার, ইউনিয়ন তাঁতীদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মল্লিক, ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি সোহাগ খান, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আলমগীর খান সহ ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডের বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।