বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করে থানায় এসে ছেলের আত্মসমর্পণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৬ পিএম
বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করে থানায় এসে ছেলের আত্মসমর্পণ

রংপুরের সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে নুরুল মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ছেলের নাম মাসুদ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতক ছেলে নিজেই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে মমিনপুর ইউনিয়নের মহেশপুর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে পারিবারিক কোনো একটি বিষয় নিয়ে বাবা নুরুল মিয়ার সাথে ছেলে মাসুদের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রাগ সামলাতে না পেরে মাসুদ ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নুরুল মিয়া গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে পথেই তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে না গিয়ে মাসুদ সরাসরি রংপুর সদর কোতয়ালী থানায় উপস্থিত হন। সেখানে কর্তব্যরত ডিউটি অফিসারের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

রংপুর সদর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “পারিবারিক কলহ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। অভিযুক্ত যুবক থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।”

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এই ঘটনায় পুরো মহেশপুর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।