বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে দুর্ঘটনা এড়াতে হেলে পড়া ভবন দুটি সিলগালা, বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:১৯ পিএম
চাঁদপুরে দুর্ঘটনা এড়াতে হেলে পড়া ভবন দুটি সিলগালা, বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ

চাঁদপুর শহরের পালপাড়া এলাকায় হেলে পড়া ভবন দুটি পরিদর্শন করেন পৌরসভার প্রশাসক মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিন।

চাঁদপুর শহরের পালপাড়া এলাকায় একটি চারতলা ভবন পাশের আরেকটি চারতলা ভবনের দিকে হেলে পড়ায় সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে উভয় ভবন সিলগালা ও খালি করার নির্দেশ দিয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা।
সোমবার (৪ মে) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণপূর্ত বিভাগ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর সদস্যরা। পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত দুটি ভবনে সতর্কীকরণ নোটিশ টাঙানো হয় এবং বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. শাহ আলম ঢালীর নির্মিত চারতলা ভবনের পাশেই রয়েছে মো. শাহজাহানের চারতলা ভবন। সম্প্রতি শাহজাহানের ভবনটি কিছুটা হেলে শাহ আলমের ভবনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এতে ভবন দুটির বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের মানুষও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
ভবন মালিক মো. শাহ আলম ঢালী জানান, ২০১২ সালে তিনি পৌরসভার অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করেন। তার দাবি, পাশের ভবনটি হেলে পড়ায় সেটি তার ভবনের সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সংযুক্ত হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি আগে থেকেই শঙ্কিত ছিলেন এবং লিখিতভাবে পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিলেন।
অন্যদিকে, ভবনের মালিক মো. শাহজাহান বলেন, ২০১৫ সালে তিনি ভবনটি নির্মাণ করেন। কী কারণে এ সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে তার দাবি, পৌরসভার নিয়ম মেনেই নির্মাণকাজ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় নির্মাণকাজ যথাযথভাবে তদারকি করা সম্ভব হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভবন দুটি পরিদর্শন করেন চাঁদপুর পৌরসভার–প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, গণপূর্ত বিভাগ চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসিম আহমেদ টিটো, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর আজম শরীফ এবং জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদা।
পরিদর্শন শেষে প্রশাসক ভবন দুটি সিলগালা করার নির্দেশ দেন এবং মালিক ও ভাড়াটিয়াদের দ্রুত ভবন ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলেন।
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর আজম শরীফ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নির্মাণজনিত ত্রুটির কারণে একটি ভবন হেলে পড়েছে। এতে দুটি ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সতর্কীকরণ নোটিশ টাঙানো হয়েছে এবং প্রশাসকের নির্দেশে বাসিন্দাদের ভবন ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবন দুটির কাঠামোগত অবস্থা পরীক্ষা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।