চাঁদপুরের কৃতি সন্তান শামছুন্নাহারের সাফল্যে গর্বিত ফরিদগঞ্জ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার সততা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম-সেবা) অর্জন করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২৪ সালে তিনি এ সম্মাননায় ভূষিত হন।

শামছুন্নাহারের জন্ম চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বড়ালী গ্রামে। তিনি মরহুম মো. আবুল হোসেন ও রওশন আরার জ্যেষ্ঠ কন্যা। তাঁর নানার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কড়ৈতলী খানবাড়ি এলাকায়।

শিক্ষাজীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি, এমএসসি এবং মাস্টার্স অব পুলিশ সায়েন্স (এমপিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষা শেষে ৩৩তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন।

কর্মজীবনে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ৫ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত। এর আগে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিসিপ্লিন অ্যান্ড প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড শাখায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অপরাধ দমন-সংশ্লিষ্ট বিভাগেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তিনি সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রশংসা অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে শামছুন্নাহার ব্যাংকার মোহাম্মদ জামাল হোসেন খানের সহধর্মিণী। তাঁর স্বামী প্রাইম ব্যাংক পিএলসিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) হিসেবে কর্মরত। তাঁদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
ফরিদগঞ্জের এই কৃতি পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে শুধু চাঁদপুর নয়, সমগ্র দেশের জন্য গর্বের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন।





