বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের ৬ দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণের সফল সমাপ্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২, ৩:৪২ পিএম
চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের ৬ দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণের সফল সমাপ্তি

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের ৬ দিনব্যাপী আনন্দ ভ্রমণের সফল সমাপ্তি হয়েছে।

গত ৮ মার্চ ২০২২ সন্ধ্যা ৭টায় চাঁদপুর শহরের মাইক্রো স্ট্যান্ড থেকে একটি বাসযোগে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় কেয়ার সিনবাদ ডাউন লঞ্চযোগে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। ৯ মার্চ দুপুরের খাবার শেষে বিকেলে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করেন সংগঠনের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

১০ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টায় সকালের নাস্তা শেষে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণ করেন সবাই। ১১ মার্চ দুপুর আড়াইটায় ‘কেয়ারি সিন্দবাদ ডাইন’ লঞ্চযোগে টেকনাফের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এরপর বাসযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত সাড়ে ৮টায় হোটেলে অবস্থান এবং রাতের খাবার গ্রহণ করেন। ১২ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টায় সকালের নাস্তা শেষে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঘুরে দেখেন আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারীরা। দুপুর ৩টায় কেনাকাটা এবং রাত সাড়ে ৮টায় রাতের খাবার পরে নিয়মিত ভিন্নধর্মী আয়োজন র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে ১৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে রাত ১১ টায় এসে চাঁদপুরে পৌঁছায় সংগঠনের সদস্য ও পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আল ইমরান শোভন ও সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ বলেন, প্রায় দুই বছর পর চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন করলো। আনন্দ ভ্রমণ সুন্দরভাবে সফল ও সম্পন্ন হওয়ায় অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন তারা। আনন্দ ভ্রমণ সফল করতে যারা সহযোগিতা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে পাশে ছিলেন প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আনন্দ ভ্রমণ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ওয়াদুদ রানা ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম বাবুকেও ধন্যবাদ জানান সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

Model Hospital

আনন্দ ভ্রমণে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের ১৫জন সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আল ইমরান শোভন, সহ-সভাপতি মুনওয়ার কানন, সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু, কোষাধ্যক্ষ তালহা জুবায়ের, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক ওয়াদুদ রানা, কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য গোলাম কিবরিয়া জীবন, শরীফ চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আবদুল আউয়াল রুবেল, লক্ষণ চন্দ্র সুত্রধর ও সদস্য আলম পলাশ, জিএম শাহীন, নেয়ামত হোসেন ও খুরশিদ আলম।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।