শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে মসজিদের মুসল্লীদের নামে হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২, ৩:১৮ পিএম
শাহরাস্তিতে মসজিদের মুসল্লীদের নামে হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন 
★স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা ★

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার উত্তর শুয়াপাড়া আশ্রাফ আলী বাড়ী জামে মসজিদের কমিটি ও মুসল্লীদের নামে মিথ্যা মামলা, হয়রানী ও নাজেহালকারী আব্দুর রবের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে শান্তিপ্রিয় মুসল্লীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী অবস্থান পালন করা হয়েছে।

১লা এপ্রিল রোজ শুক্রবার জুমা’র নামাজের পূর্বে মসজিদ প্রাঙ্গনে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এ সময় মুসল্লীরা অভিযুক্ত আব্দুর রবের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বর্তমান কমিটির মোতায়াল্লী মোঃ শফিউল্লাহ, সভাপতি ওসমান গনি, সেক্রেটারি মোঃ ইব্রাহিম খলিল, কার্যকরী সদস্য মনোয়ার হোসেন সহ শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি আব্দুর রবের দায়ের কৃত একাধিক মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার সুষ্টু তদন্ত দাবি করে তাদের হেনস্তা করা আব্দুর রবের বিচারের দাবিতে বক্তব্য প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে আব্দুর রবের পিতা মৃত আলী মিয়া রেজিঃকৃত ১৬২৮ নং ওয়াকফ নামা দলিল মূলে সিএস ১৬২ নং খতিয়ানভুক্ত ভূমি অন্দরে. ০৯ একর এবং সিএস ১৮৭ নং খতিয়ানভুক্ত ভূমি অন্দরে.০৪৫০ একর এবং বিগত ২৭/০৬/২০০৫ ইং তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত ৩৯২৬ নং ওয়াকফ নামা দলিল মূলে মসজিদের নামে দান করেন। কিন্তু মৃত আলী মিয়ার সন্তান আব্দুর রব উক্ত জমি দানের বিষয়টি না মানতে পেরে পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় আলী মিয়াকে বাদী করে জমি দখল ফেরত শর্তে ২৮/১১/২০১২ ইং তারিখে আদালতে মামলা করলে তা প্রত্যাখিত হয়। আব্দুর রব আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট না হয়ে পুনরায় ০৫/০৬/২০১৪ ইং তারিখে ওয়াকফনামা দলিল বাতিলের প্রার্থনায় আদালতে মামলা করেন, যা ১২/০৬/২০১৪ ইং তারিখে ডিক্রীমূলে দোতরফা সূত্রে আদালত কর্তৃক ডিসমিস হয়। পরবর্তীতে আব্দুর রব মিয়া বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানীমূলক মামলা করে উক্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিদের হেনস্তা করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালালেও আব্দুর রব মিয়ার একগুয়েমির কারণে কোন সমাধানের পথ দেখে নি৷
মানববন্ধনে বর্তমান কমিটি সেক্রেটারী মোঃ ইব্রাহিম খলিল বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এখানে সবাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা সারাদিনে ৫ বার মিলিত হই নামাজের সময়। অথচ জমি সংক্রান্ত ঝামেলাগুলোতে আমাদের নাম জড়িয়ে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে আমাদের প্রতিনিয়ত।
যেখানে আব্দুর রবের পিতা মৃত মোঃ আলী নিজেই মসজিদ নির্মাণ, তা পুনর্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, সেখানে তার সন্তানের এমন ঘৃণিত কাজ আমাদেরকে মর্মাহত করে।
মানববন্ধনে মুসল্লী রবিউল হোসেন বলেন, আব্দুর রবের সাথে আমরা স্থানীয়ভাবে বারংবার সমাধানের লক্ষ্যে বসতে চাইলেও তিনি মসজিদ ভেঙ্গে তার সম্পত্তি দাবি করেন। অথচ মসজিদটি তার বাবার নিজ হাতে গড়া। মসজিদটি যখন টিনের ছিলো তখন থেকেই তার বাবার অবদানে আজ মসজিদটি দুই তলা ভিত্তি স্থাপনাধীন।  সুসজ্জিত মসজিদটিতে একসাথে ২ শতাধিক মুসল্লি নামাজ পড়তে পারে। কিন্তু এত কিছু দেখেও বর্তমানে আব্দুর রব সমাজের লোকদের বিরুদ্ধে গিয়ে মানহানিকর মামলা দিচ্ছেন।
এতে করে সমাজের সকলেই আমরা বিব্রত। আমি স্থানীয় সাংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম মহোদয়, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস মহোদয়,পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্টু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital