বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

হামানকদ্দি পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন ২৩ এপ্রিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২, ২:৪১ পিএম
হামানকদ্দি পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন ২৩ এপ্রিল

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের হামানকদ্দী পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ২৩ এপ্রিল। নির্বাচনকে ঘীরে বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মাঝে চরম উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। ঐদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যালয়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪শত ১৩জন। নির্বাচনে পিজাইটিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ কামাল হোসেন, সদস্য সচিব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল কৃষ্ণঘোষ।

এবারের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে ৬জন পুুরুষ অভিভাবক প্রতিনিধি প্রতিদ্বদ্ধিতা করছেন, মহিলা অভিভাবক সদস্য দুই জন রয়েছে।

এরা হচ্ছেন মাহবুুব খান বাবুল, মোঃ রোকন মোল্লা, মফিজুর রহমান খান বাদল, মোঃ জাকির হোসেন খান, মিজান গাজী, সোহেল আহমেদ খান। মহিলা সদস্য রাবেয়া বেগম, দিলারা আফরিন। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আবু নাছের, মোঃ হাসান আহমেদ, মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি রেহেনা আক্তার, দিলারা আফরিন। শুধু মাত্র নির্বাচনে মনির হোসেন খান নামে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাচাইতে বাতিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশনার।

ইতি মধ্যে নির্বাচনকে ঘীরে প্রার্থীদের সমর্থকদের মাঝে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। উভয় প্রার্থীরা যার যার অবস্থান থেকে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। দলমত নিবিশেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে সবাই প্রচারনা চালিয়ে যাচ্চে। কে কোন দল তা না ভেবে বিদ্যালয়ের শিক্ষারমান উন্নয়নের স্বার্থে প্রার্থীরা প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রেখেছে।

Model Hospital

যেখানে যেখানে ভোটর আছেন সেখানেই প্রার্থীরা ভোটের কাছে চষে বেড়াচ্ছেন। গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চলের প্রার্থীদের সমর্থকরা প্রার্থীর সমর্থনে ভোট চাইতে দেখা গেছে। বিদ্যালয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন করায় বেশ জমজমাট আলোচনা ইউনয়নের সর্বত্র চলছে। ইতিমধ্যে প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি, হাট বাজারে চলতি পথে যেখানেই ভোটার দেখছেন সেখানেই তারা তাদের পক্ষে ভোট চাইতে দেখা গেছে। তবে অভিভাবক নিবাচনে সরকার দলীয় ও বিরোধী দলীয় প্রার্থী থাকায় ভোটারা আতংকিত রয়েছেন। দলীয় প্রার্থীরা দলের ক্ষমতার ব্যবহার করে নির্বাচনে সুবিধা হাতিয়ে নেয় কিনা এজন্য বিরোধী দলের প্রার্থীরা আত্নংকিত রয়েছেন।

বিদ্যারয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে নির্বাচনে দলীয় প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ধরনের কোন প্রকার সুযোগ নেই, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবস্থা রাখা হবে। বিদ্যালয়ের স্বার্থে দলীয় কোন পভব না পড়াটাই উত্তম, এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে ভাবে ভাল চলে তার জন্য সকলের প্রচেষ্ঠায় একটা সুন্দর নির্বাচন চান তিনি।

তবে এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করলে তারা বলেন গ্রহনযোগ্য প্রার্থীর জনপ্রীয়তা বেশি প্রভাব পড়বে বলে ভোটাররা ধারনা করছে। এ নিয়ে নির্বাচনের ঘোষনারপর থেকে চলছে সকল পর্যায়ে আলোচনা, সমালোচনা। শান্তিপূর্ন নির্বাচনচান সকলে। অভিভাবক নির্বাচনে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।