বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইমারত নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মে, ২০২২, ১:০৫ পিএম
কচুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইমারত নির্মাণের অভিযোগ

কচুয়া প্রতিনিধি : কচুয়া পৌরসভার লক্ষীপুর গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ইমারত নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে সফিকুল ইসলাম গং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণ করছে। নালিশি তফসিল ভূমি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সাবেক ৮৪ নং হালে ৯৮নং লক্ষীপুর মৌজার সি.এস খতিয়ান নং-১২, আর.এস খতিয়ান নং-১৬, বি.এস খতিয়ান নং- ১৪৮। সাবেক ২০৫ দাগ হালে ৭৩৯ দাগ, বাড়ী ২.০৫ একরের অন্দরে ১.০১ একরের অন্দরে ০.১২৬৬৫৫একর ভূমি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উল্লেখিত তফসিলে মো. রফিকুল ইসলামের বসতবাড়ির অংশ তার সহোদর সফিকুল ইসলাম জোরপূর্বক দখল করে ইমারত নির্মানের চেষ্টা করলে রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ কচুয়া সহকারী জজ আদালতের নিকট অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন জানান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল বিবাদী সফিকুল ইসলাম গংরা আদালতে হাজির হয়ে জবাবদিহি প্রদান করে। বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত চলতি বছরের ১২ জুন আপত্তি শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন।

Model Hospital

এদিকে ঈদের ছুটিতে আদালত বন্ধ থাকার সুযোগে স্থিতিবস্থার আদেশ অমান্য করে নালিশি ভূমিতে সফিকুল ইসলাম গং ভবন নির্মানের কাজ শুরু করে। এ অবস্থায় গত ১৭ মে রফিকুল ইসলাম আদালতের শরনাপন্ন হলে বিজ্ঞ আদালত দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের এডভোকেট মো. আবু তাহের তালুকদারকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করে আগামী ১১ জুনের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে সরজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। শনিবার এডভোকেট মো. আবু তাহের তালুকদার ঘটনাস্থল কচুয়া পৌরসভার লক্ষীপুর গ্রামে নালিশি ভূমি পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বাদী, বিবাদী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শফিকুল ইসলাম গংরা নালিশি ভূমিতে ১৪শত০৬ স্কয়ার ফিটে দ্বিতল ইমারত নির্মান করছে। নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্ত্বেও ভবন নির্মানের বিষয়ে বিবাদী সফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি তার দখলীয় ভূমিতে ভবন নির্মানের কাজ করছেন বলে দাবী করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার বিষয়ে তিনি কোন সদোত্তর দেন নি।

এব্যাপারে রফিকুল ইসলাম জানান, বিবাদী সফিকুল ইসলাম গং ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আমার জায়গা জোরপূর্বক দখল করে সেখানে ভবন নির্মানের চেষ্টা করলে আমি আইনের সহায়তা নেই। এবং সফিকুল ইসলাম গং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার ভূমিতে ভবন নির্মান কাজ করে যাচ্ছে।

আমি এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তিনি আরো জানান, আমি বাদী হয়ে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টম্বর ৫জনকে বিবাদী করে চাঁদপুরের বিজ্ঞ কচুয়া সহকারী সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করি। মোকদ্দমা নং-৩১৩/সন ২০২১ইং।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital