বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২, ৩:২৩ পিএম
কচুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : কচুয়ায় উপজেলার বড়পাড়া গ্রামের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের বড়াপাড়া গ্রামের মজুমদার বাড়ির আনোয়ার হোসেন (জাহাঙ্গীর) ২০১৩ সালে মৃত্যুবরন করনে। দুই কন্যার পিতা জাহাঙ্গীর হোসেন মৃত্যুর কয়েক মাস পূর্বে তার স্ত্রী মারজানা চৌধুরানীকে ১৫৭ নং আশ্রাফপুর মৌজার বিএস ১৩৩৮ নং খতিয়ানে হালে ৬১৩৪ দাগে ষাট শতক ভূমি হেবা দলিল মূলে রেজিষ্ট্রি করে দেন। আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর হেবা দলিলের ভূমি দখল নিতে গেলে আনোয়ার হোসেনের ভাই তকদির হোসেন সহ অন্যান্য ভাই ও বোনরা এতে বাধা দেয়। তকদির হোসেন গংরা উক্ত হেবা দলিল মিথ্যা ও ভূয়া দাবি করে।

হেবা দলিলের নামে ভূয়া দলিল সৃষ্টির অভিযোগে তকদির হোসেন চাঁদপুরের বিজ্ঞ কচুয়া সাব জজ আদালতে মারজানা চৌধুরানীকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৮৩/২১। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। মারজানা চৌধুরানী হেবা দলিল সম্পূর্ণ সঠিক এদাবিতে অটল- অনড় অবস্থান নিয়ে উক্ত ভূমি ভোগ দখল করে আসছে।

তিনি এ ভূমি স্থানীয় অধিবাসী জনৈক আরিফ হোসেনের নিকট বর্গা দিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন। এদিকে এ ভূমি থেকে মারজানা চৌধুরানীকে বেদখল দিতে চেষ্টা চালিয়ে আসে তকদির হোসেন গংরা এমনি দাবিতে মারজানা চৌধুরানী চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বিজ্ঞ আদালত গত ২৮-৬-২০২২ইং তারিখে (স্মারক নং ২০২৯(৪), অস্থায়ী স্থিতাবস্থায় বজায় রাখার ব্যবস্থা নেওয়া এবং নালিশী ভূমির দখল বিষয়ে মতামত সহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। কচুয়া থানার পুলিশ সরজমিনে গিয়ে আদালতের নির্দেশ জারি করে আসে।

Model Hospital

মারজানার অভিযোগ,আদালতের নির্দেশ জারি করা সত্বে ও ১৬-০৭-২০২২ইং তারিখ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তকদির হোসেন গংরা মারজানা চৌধুরানী দখলীয় ভূমি দখল করার চেষ্টা নেয়। তারা ভূমি বর্গা নেওয়া আরিফ হোসেনের পানির মটর, ১০ বস্তা মাছের খাবার ও থাকার তোষক লেপ সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যায়।

এঘটনায় মারজানা চৌধূরানী তকদির হোসেন সহ চারজনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তদন্ত করছেন কচুয়া থানারএসআই সুদীপ্ত শাহীন। তিনি জানান, অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিবাদী তকদির হোসেন জানান, মারজানা চৌধুরানীর উপস্থাপন করা হেবা দলিলটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি, মামলার রায় আমাদের পক্ষে হবে বলে আশাবাদী। অপর দিকে মারজানা চৌধুরানী হেবা দলিলটি সম্পূর্ন সঠিক দাবি করে বলেন, দলিলের স্বপক্ষে আমি যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রস্তত রয়েছি।

উক্ত ভূমির দখল – বেদখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তোজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় শান্তি বিঘ্নের ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে স্থানীয় অধিবাসীরা আশংকা করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital