বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এমএম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল হকের ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২, ১১:৪৬ এম
এমএম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল হকের ইন্তেকাল

সজীব খান : চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব এম এম নুরুল হক ইন্তেকাল করেছেন, সোমবার ভোর সোয়া ৪টায় ঢাকায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিাহি………..রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়েস হয়েছিল ৮৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, নাতনীসহ অসংখ্যাগুন গ্রাহী রেখে গেছেন।

এম এম নুরুল হক ১৯৩৫ সালের ২৯ নভেম্বর হাপানীয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। ১৯ ৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম ডিগ্রি লাভ করে সে বছরই তিনি কর্র্মজীবন শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬১ সালে তাৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠান একে খান এন্ড কোম্পানীতে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। সেখান থেকে কিছু দিন পরে সে বছরই সেপ্টম্বর মাসে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভোলাপমেন্ট ব্যাংক অফ পাকিস্তনের সিনিয়র অফিসার হিসেবে করাচিতে যোগদান করেন।

সেখানে স্বীয় কর্মদক্ষতায় ব্যাংকের সবোচ্চ পদে পদোন্নোতি পান। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের মহা-ব্যবস্থাপক, সোনালী ব্যাংক, শিল্প ঋন সংস্থা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও ইনভেস্টমেন্ট ফরপোরেশন অব বাংলাদেশের চারটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডাইরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর বেসরকারি আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সোশাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ও আল বারাকা ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডের ডাইরেক্টর ছিলেন।

তিনি তার নিজ গ্রামে আল আরাফা জামে মসজিদ, এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, মঞ্জরা ইসলামীয়া মাদ্রসা স্থাপন করেন। এম এম নুরুল হক একজন একজন মিষ্টভাষী, সমাজ সেবক ও ন্যায় পরায়ন ব্যাক্তিত্বের অধিকারি ছিলেন।

Model Hospital

এম এম নুরুল হকের জানাযার নামাজে তার প্রতিষ্ঠিত এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সোমবার অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় ব্যবসায়ী, রাজনীতিকদি, সমাজ সেবক, শিক্ষকসহ আশপাশের ধর্মপ্রান মুসলমানজন উপস্থিত ছিলেন। জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এম এম নুরুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, এম এম নুরুল হক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেন, আশিকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রথম সহকারী প্রধান শিক্ষক, জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন মাষ্টার। তারা মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসমন্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।