বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আ’লীগের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা, ২২ নেতা-কর্মীর জামিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২, ৩:২১ পিএম
কচুয়ায় আ’লীগের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা, ২২ নেতা-কর্মীর জামিন

কোর্ট প্রতিনিধি : চাঁদপুর কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংর্ঘষের ঘটনায় বেআইনী জনতাবদ্ধে মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা করে খুনের চেষ্টাসহ সাধারণ কাটা জখম ও গুরুত্বর কাটা জখম করে মানহানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন করার অপরাধে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরোও ১২জনকে আসামী করে কচুয়া থানায় মামলা হয়েছে। মামলা বাদী কচুয়া বাইছারা গ্রামের আলী আজগর সরকারের ছেলে মো. সালাউদ্দিন সরকার।

বুধবার (৩ আগষ্ট) দুপুরে এই মামলার ২২ জন আসামী কচুয়া আমলী আদালতে হাজির হলে সকলের জামিন মঞ্জুর করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হাসান চেীধুরী।

সোমবার (১ আগষ্ট) কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শুরু হওয়ার পূর্বে ও পরে কচুয়া পৌরসভার পলাশপুর বিশ^রোড এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের অনুসরারীরা ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়ের নেতৃত্ব ওই সময় ঘটনা নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি শান্ত করেন। পরদিন মঙ্গলবার (২ আগষ্ট) দুপুরে মো. সালাউদ্দিন সরকার কচুয়া থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

Model Hospital

মামলার আসামীরা হলেন-গাজী ফারুক, মো. সোহাগ, গাজী কামাল, মো. মেহেদী হাসান, মো. নুরুল আফসার. মো. হোসেন, আউয়াল, মো. তুহিন, মো. শাকিল, মো. রাব্বি, মুনতাসির শাকিল, এমর হোসেন, সোহাগ, মো. জামাল হোসেন, মো. মোহন রাজ, গাজী কায়েস, মো. ফয়েজ, শাহ পরান, ইব্রাহিম পাটোয়ারী, মাসুদ, মো. সেলিম ও আলম।

মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, ঘটনার দিন আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মিছিল নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। তারা অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে এবং বাদীসহ অন্যদেরকে মারধর করে। তারা আত্মরক্ষার্থে উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবু রহমানের ব্যাক্তিগত অফিস কক্ষে প্রবেশ করলে সেখানে গিয়েও তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে এবং অফিস ভাংচুর করে। একই সাথে অফিস থেকে নগদ অর্থ নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবি, কচুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অ্যাড. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিক্ষিপ্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরও যুবলীগ, ছাত্রলীগ পরীক্ষিত ২২ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরণের মিথ্যা মামলা প্রত্যাশা করি না। আশা করি উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থানে থেকে ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর এমপির নেতৃত্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে।

আসামী পক্ষে আইনজীবি অ্যাড. আবদুল লতিফ শেখ, অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, অ্যাড. আহসান হাবিব, অ্যাড. আবদুল্লাহ আল মামুন, অ্যাড. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরণ, অ্যাড. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, অ্যাড. জসিম উদ্দিন-২, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী, অ্যাড. শাহ আলম-২সহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।