শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

নিজস্ব অর্থায়নে ফরিদগঞ্জে আ’লীগের স্থায়ী অফিস নির্মাণ করবো: তোফায়েল আহম্মেদ ভুঁইয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২, ৩:৪১ পিএম
নিজস্ব অর্থায়নে ফরিদগঞ্জে আ’লীগের স্থায়ী অফিস নির্মাণ করবো: তোফায়েল আহম্মেদ ভুঁইয়া

এস এম ইকবাল : চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ ডিসেম্বর।

এ সম্মেলনের পূর্বে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর আ. লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তবে, ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও পৌর আ. লীগের সম্মেলনের তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি।

জেলা আ. লীগের সম্মেলনের পূর্বে ফরিদগঞ্জে আদৌ কোনো সম্মেলন হবে কি না এ নিয়ে সংশয় রয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। একাধীক সূত্র জানিয়েছে জেলা আ. লীগের সম্মেলনের পরে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সম্মেলন হতে পারে।

তবে সম্মেলনের তারিখ নিয়ে সংশয় থাকলেও বসে নেই সম্ভাব্য সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা। নিজেদের প্রার্থীতার বিষয়ে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। কেউ কেউ পোস্টারিংসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের মাধ্যমে নিজের প্রার্থীতার বিষয়ে জানান দিচ্ছেন। পাশাপাশি রাজনীতিতে নিজস্ব বলয়ের নেতাদের কাছে ধর্ণা দিয়ে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা ও পৌর আ. লীগের সভাপতি-সম্পাদক পদে সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রার্থীর সংখ্যাও কম নয়।

Model Hospital

ফরিদগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সম্মেলনসহ রাজনীতির নানান বিষয় নিয়ে থাকছে ধারাবাহিক প্রতিবেদন। এ পর্বে রয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহম্মেদ ভুঁইয়াকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

৮০-এর দশকে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে রাজপথ কাঁপানো যে ক’জন ছাত্রনেতা ছিলেন তার মধ্যে তোফায়েল আহম্মেদ ভুঁইয়া সর্বাধিক আলোচিত। তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে (১৯৮৩-৮৬) থানা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন ছাত্রলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আ. লীগের দুঃসময়ের সাহসী এ ছাত্রনেতা ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ প্রার্থী। সভাপতি পদে প্রার্থীতাসহ আ. লীগের রাজনীতি নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন এ প্রতিবেদকের সঙ্গে। তোফায়েল ভুঁইয়াকে নিয়ে দুই পর্বের ধারাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব আজ।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহম্মেদ ভুঁইয়া বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছি। কখনোই দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলাম না।

কারণ তখন আমি দলের কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে ছিলাম না। এছাড়া নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা বিষয়ে কেন্দ্র থেকে তখন কোনো নির্দেশনাও ছিলো না। আপনারা দেখেছেন নির্বাচনে আমার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিলো। তবে ভোটে ব্যাপক কারচুপি হওয়ায় আমি নির্বাচন বর্জন করে সরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ভোট ডাকাতি না হলে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করতাম।

সভাপতি পদে প্রার্থীতার বিষয়ে অপরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখুন আমি ১৯৮৩ সালে ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে ছাত্ররাজনীতি শুরু করি। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি নির্বাচিত হই। ১৯৮৫ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৮৬ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। এখন যত আওয়ামী লীগ দেখেন, তখন এতো আওয়ামী লীগ ছিলো না। রাজপথে সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে তখন টিকে থাকতে হয়েছে আমাদের। ছাত্ররাজনীতির সময় ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের ব্যাপক হারে বীজ বপন করেছিলাম। উপজেলার ৩৪টি স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করেছি। ছাত্রলীগকে করেছি সুসংগঠিত। আজ ফরিদগঞ্জে আ. লীগ তার সুফল ভোগ করতেছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি সম্মেলনে হোক বা না হোক সবক্ষেত্রেই ফরিদগঞ্জে আমার মজবুত ভিত্তি আছে। যদি উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হয় দলীয় কর্মী ও কাউন্সিলরদের ব্যাপক সমর্থনে সভাপতির দায়িত্ব পাবো বলে আশাবাদী। আমার প্রতি মানুষের সেই আস্থা আছে। দলের দুঃসময়ে অনেক দুরহ কাজ আমি করেছি। আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হলে ফরিদগঞ্জের ভঙ্গুর আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রুপে দাঁড় করাবো। ফরিদগঞ্জে সুসংগঠিত একটাই সংগঠন থাকবে সেটা হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা আমাকে দিয়েই বর্তমান আওয়ামী লীগ আগামী দিনে যে কর্মকাণ্ড করবে তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হবে।

ফরিদগঞ্জে আ. লীগের গ্রুপিং বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলের গ্রুপিং নিরসনে কর্মীদের মতামতে কাউন্সিলের মাধ্যমে ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে কমিটি গঠন করতে হবে। সর্বক্ষেত্রে কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থের চাইতে দলীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিলে দলের মধ্যে আর কোনো গ্রুপিং থাকবে না। পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনার কমিটমেন্ট অনুসারে দলের র্দুদিনে যারা পাশে ছিলো তাদের ন্যায্য আসনে বসাতে হবে। আর যারা নিষক্রিয় থেকেও দীর্ঘদিন ধরে দলের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেছে তাদের অপসারণ করতে হবে। ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগে সুবিধাবাদীদের কোনো স্থান হবে না।

ফরিদগঞ্জে আ.লীগের বর্তমান কার্যক্রমের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ। দেশে বিপুল উন্নয়ন হয়েছে। একই সময়ে ফরিদগঞ্জে আ. লীগ নামধারি অনেক হাইব্রিড আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। তবে, দলের জন্য একটি স্থায়ী/কিংবা অস্থায়ী কার্যালয়ের ব্যবস্থা করতে পারে নি কেউই।

সাক্ষাৎকারের বাকি অংশ ২য় পর্বে দেখুন———

শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগকে ঘিরে ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মতবিনিময় সভা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের মান্দারী তাজ সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় জানানো হয়, চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান বা মেম্বার পদে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদককে দলীয় পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিতে হবে। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, দলীয় ঐক্য ও আগামী দিনের করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ সময় ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি তারা বলেন, বিগত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বপন মাহমুদ টানা দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তার রাজনৈতিক দল বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, তাই এবারও তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় সমর্থন দিতে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করলে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে এবারও বিজয় নিশ্চিত করার আশা ব্যক্ত করেন নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিনের সহকর্মী শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টি সহজে মানিয়ে না নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ খান, সাবেক সহ সভাপতি কবির হোসেন রনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক কবিরাজ, সমাজসেবক জহিরুল হক লালু মাষ্টার প্রমূখ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মতামত ব্যক্ত করেন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল হাওলাদার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাহবুব বেপারী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম পাটওয়ারী, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর খান, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মহসিন তপদার, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাজী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ সাত্তার বেপারী, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফ তালুকদার, সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সোহেল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আশেক এলাহী, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আলমগীর পাটওয়ারী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পরে দলীয় নেতাকর্মীদের মতামত ও উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সভাপতির পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার ও কারানির্যাতিত জননন্দিত নেতা স্বপন মাহমুদ। এবং এদিন রাতেই চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির কাছে তার পদত্যাগ পত্র জমা দেন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের উল্লেখযোগ্য কিছু রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কথা সকলের কাছে স্মৃতিচারণ করেন। অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল, ওলামাদলের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল পাটওয়ারী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার, সদস্য আবুল বাশার, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব গাজী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহমুদ সেলিম, যুবদল নেতা শওকত কারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গাজী নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস পাটওয়ারী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মিজি, ছাত্রদল নেতা সজিব পাটওয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী পারুল আক্তার, সাধারণ সম্পাদক রুমা বেগম, ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সার্ভেয়ার আব্দুল হামিদ সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।