বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে মিথ্যা মামলায় আটককৃত মোক্তার মিজির মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:০৬ এম
হাইমচরে মিথ্যা মামলায় আটককৃত মোক্তার মিজির মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচর উপজেলার ২নং আলগী উত্তর ইউনিয়নের মহজুমপুর গ্রামের সৈয়দ আহাম্মেদ মিজির স্ত্রী ফাতেমা বেগম এর অনৈতিক কার্যকালাপ এবং কুকর্মের প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশী মোক্তার মিজিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করার প্রতিবাদে এবং তার মুক্তির দাবীসহ দেহব্যবসায়ী পতিতা ফাতেমা বেগম এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়ে মানববন্ধন করেছে এলাকার মসজিদ কমিটিসহ স্থানীয় লোকজন।
বুধবার সকাল ১০টায় হাইমচর উপজেলা পরিষদ সম্মুখে নারী পুরুষের অংশগ্রহনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে ১৩১ জন নারী ও পুরুষের স্বাক্ষরীত একটি অভিযোগপত্র হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ এর নিকট জমা দেন।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার পাশ্ববর্তী বাড়ির ফাতেমা বেগম দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ এবং তার ঘরে বহিরাগত পুরুষ লোকজন নিয়ে দিন রাত আড্ডা সহ বিভিন্ন কুকর্ম করে আসতেছে। আমরা বাড়ির মহিলারা তাকে অনেক বুঝিয়েছিলাম এই খারাপ পথ থেকে পিরে আসার জন্য। তার এই অনৈতিক কার্যকলাপের কারনে আমাদের ছেলে মেয়ে দের নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হই। আমার স্বামী সহ বাড়ির লোকজন তার এই কুকর্মের প্রতিবাদ করায়  ফাতেমা বেগম নিজের হাত নিজে কেটে চাঁদপুর আদালতে বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় আমার প্রতিবেশী মোক্তার  মিজিকে পুলিশ আটক করে। আমরা এলাকা বাসী একত্রিত হয়ে মোক্তার মিজির মুক্তি সহ অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা ফাতেমা বেগম এর বিরুদ্ধে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য প্রশাসনের নিকট আবেদন জানাচ্ছি।
মোঃ মজিবুর রহমান খোকন মানববন্ধনে তার বক্তব্যে বলেন, ফাতেমা বেগম ও তার মেয়ে রুবি আক্তার অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। আমাদের স্থানীয় লোকজনসহ সমাজের মুরুব্বিদের কাছে দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন অভিযোগ দিয়ে আসছে এলাকা বাসী। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা দরবার সাল্লীসি করেও এই খারাপ মহিলাটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। গত ১৩ নভেম্বর হাইমচর থানায় উপস্থিত হয়ে ফাতেমা বেগম এর বিরুদ্ধে মোক্তার মিজি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত ফাতেমা বেগমের বাড়িতে পুলিশ তদন্ত গেলে ওনি অসৎ উদ্দেশ্যে নিজের হাত নিজে কেটে চাঁদপুর আদালতে মোক্তার মিজি সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় মোক্তার মিজিকে পুলিশ গ্রেফতার করেন। আমরা মোক্তার মিজি নিঃসর্ত মুক্তি সহ এই খারাপ মহিলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এলাকাবাসী সহ মানববন্ধন অংশ গ্রহন করেছি।
মানববন্ধনে আরো কয়েক জন বক্তা বলেন, ফাতেমা বেগম ও তার মেয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট সহ এলাকার যুব সমাজকে ধংশের দিকে ধাবিত করছে আমরা মহজুমপুর বায়তুল নূর মিজি বাড়ি জামে মসজিদ কমিটি ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে আমার সমাজের শান্তি শৃংখলা এবং পরিবেশ রক্ষর্থে ফাতেমা বেগম ও তার মেয়ে এলাকায়, সমাজে আর কোনো কুকর্ম, অবৈধ শারীরিক ব্যবস্থা না করতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হাইমচর থানায় অভিযোগ করেন এবং হাইমচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহোদয় কে বিষয়টি অবহিত করেন এলাকাবাসী।
মানববন্ধন উপস্থিত ছিলেন সেকান্তর মিজি, মুনচুর আহমেদ ভূইয়া, শাহজান খলিফা, হোসাইন, অলিউল্লাহ, বাচ্চু মির, আব্দুর ছাত্তরার ভূইয়া, তারেক গাজি, হাজী মো. রুহুল আমিন গাজি, আহছান ছৈয়ালসহ স্থানীয় অসংখ্য নারি পুরুষ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital