বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৫:৩২ পিএম
শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম

মনিরুল ইসলাম মনির: মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ির হাজী মো. সিদ্দিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯তম বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে চার টায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলী সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

অনুানে প্রধান বক্তা ছিলেন, চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শান্তাজ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক আজিজুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ডিজি গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট ড. আবদুল লতিফ সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল কাইয়ুম খান, বাগানবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন মিয়াজী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার জুলহাস মিয়া।

Model Hospital

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা মন শরীর ভাল রাখে। খেলাধুলার মাধ্যমে একে অপরের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাও করতে হবে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও আগ্রহী করে গড়ে তুলতে হবে। কেননা, শিক্ষার্থীদের শারীরিক গঠন ও মানসিক বিকাশে ক্রীড়ার কোন বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ক্রীড়া উন্নয়নে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অর্থ বরাদ্দ দিয়ে স্টেডিয়াম নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিয়েছে বর্তমান সরকার। আর এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বের হয়ে আসছে দক্ষ খেলোয়াড়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।