বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিএনপির সময়ে বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে পরিণত হয়েছিল: অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৩:৫৩ পিএম
বিএনপির সময়ে বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে পরিণত হয়েছিল: অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল

মনিরুল ইসলাম মনির: চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, বিএনপি ও জামায়াত জোট ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যখন ক্ষমতায় ছিল। তখন তারা সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা ফাটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। বিএনপির আমলে বাংলাদেশে শায়েখ আবদুর রহমানের আবির্ভাব হয়েছিল, বাংলা ভাইয়ের আর্বিভাব হয়েছিল। তারা অনেক মানুষকে হত্যা করেছে। পুলিশ তখন তাদের সালাম দিত, স্যালুট দিত। দেশে আইনের শাসন ছিল না।

১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকালে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি সন্ত্রাসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মতলব উত্তর উপজেলায় ১১নং পশ্চিম ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শান্তি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাউরি বাজারে ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শান্তি মিছিলটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ শেষে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল বলেন, বিএনপির সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন বিরোধীদলীয় নেত্রী। শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২২ নেতা-কর্মী নিহত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শত শত নেতা-কর্মী আহত হয়েছিলেন।

সংসদ সদস্য রুহুল বলেন, বিএনপির সময়ে বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশে পরিণত হয়েছিল। ওই সময়ে সারের জন্য আন্দোলন করায় ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আর আজকে কৃষককে সার খুঁজতে হয় না, উল্টো সার কৃষককে খোঁজে। আওয়ামী লীগ সরকার কৃষককে সার, বীজ ও প্রণোদনা দিচ্ছে। আজকে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে।

Model Hospital

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।

ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য সরকার মো. আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহিদ উল্লাহ প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিরাজ খালিদ, ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নূরে আলম স্বপন প্রমুখ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।