বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিএনপির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিলো না: শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:০৬ পিএম
বিএনপির আমলে দেশে আইনের শাসন ছিলো না: শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি

মনিরুল ইসলাম মনির: আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, নির্বাচনে না আসলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। বিএনপির বহুলোক আওয়ামী লীগে যোগ দিতে আলাপ করতে পারে, অন্যান্য দলেও চলে যেতে পারে।

১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকালে মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর বাজার মাঠে দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াত অশুভ শক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কোন পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে না। বিএনপি যাতে আন্দোলনের নামে ২০১৫ সালের মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে না পারে, এবং দেশকে অস্থির করে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে না পারে, সেজন্যই এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন। এর মাধ্যমে আমরা আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে সচেতন করছি ও সক্রিয় রাখছি। এ সমাবেশ মানুষের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।

তিনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলন কর্মসূচি করুক, কোনক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। আগে ঢাকায় আন্দোলন করতো বিএনপি, সেখানে ব্যর্থ হয়ে তারা বিভাগে, জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি দিয়েছে, আর এখন ইউনিয়নে ইউনিয়নে কর্মসূচি দিচ্ছে।

Model Hospital

ডা. দীপু মনি বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালন করছে। বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি থেকেও নিরাপদ দূরে থাকছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছে জনগণ। জনগণই আওয়ামী লীগের পাহারাদার। আন্দোলনে সরকারের পতন হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়মী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার পাঁয়তারা করছে। তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের এহেন ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব রাজপথে মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ। আ.লীগকে শেষ করতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারকে হত্যা করেছে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হতয়ার চেষ্টা করছে স্বাধীনতা বিরুদ্ধী জামাত বিএনপি।

ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ও রাজনীতির পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হলে রাজপথে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতির নামে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। রাজপথে তাদেরকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ ক্দ্দুুস।

দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলম প্রধানের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন প্রধানের পরিচালনায় আরো বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়মীলীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শহীদ উল্লাহ মাষ্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, ফতেপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. রেজাউল করিম, সাবেক ছাত্রনেতা মিরাজ খালিদ, ছেংগারচর পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামান সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, জেলা মহিলা আওয়মী লীগ নেত্রী সালেহা বেগম সুখী, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য তাসলিমা আক্তার আঁখি, মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা ওয়াজ কুরুনী, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুর নবী খান প্রমুখ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।