বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন: অ্যাড. সেলিম মিয়ার প্রার্থীতা ঘোষনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:১১ পিএম
মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন: অ্যাড. সেলিম মিয়ার প্রার্থীতা ঘোষনা

মনিরুল ইসলাম মনির: আগামী ১৬ মার্চ মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাড. সেলিম মিয়া।

সোমবার বিকেলে মাথাভাঙ্গা বাজারে ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন প্রধানের সভাপতিত্বে ও যুব নেতা জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট সেলিম মিয়া।
চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট সেলিম মিয়া বলেন, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, মাঠে একট্টা হচ্ছে এলাকাবাসী। আসন্ন নির্বাচনে আমাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করতে কাজ করছেন ইউনিয়নের বিশিষ্টজনরা। করোনা মহামারীতে আমি এ ইউনিয়নসহ সর্বত্র অসহায় পরিবারের ঘরে ঘরে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দেবেন এটাই প্রত্যাশা করছি। আমি মোহনপুর ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।

চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট সেলিম মিয়া বলেন, আমি আশা করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার সাংগঠনিক যোগ্যতা, শ্র্রম, ত্যাগকে মূল্যায়ন করে আমাকে নৌকা প্রতিকে মনোনীত করবেন। আর আমি মনোনয়ন পেলে, আশা রাখি আমার এলাকার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। চেয়ারম্যান পদে জয়যুক্ত হতে পারলে, আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে থেকে নীতির পথে চলে, নিজের বিচার বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে আমি মোহনপপুর ইউনিয়নকে একটি সুস্থ সুন্দর ও পরিবেশ বান্ধব ইউনিয়নে উন্নীতকরণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

Model Hospital

তিনি বলেন, আমি এই ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তামূলক মনোভাব গঠনে সেই সাথে স্কুল কলেজের ছেলে-মেয়েদের সৃজনশীলতা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করব ইনশাআল্লাহ। মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত মডেল ইউনিয়নে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই। আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমাকে নির্বাচিত করলে ইউনিয়ন বাসীর সকলের কল্যাণে নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে পারব। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রম বেগবান করতে আমার পাশে থাকুন আমি আপনাদের পাশি আছি এবং থাকব ইনশা আল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি মাদকমুক্ত একটি আধুনিক ইউনিয়ন গঠনে কাজ করে যাব।

উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন মোহনপুর ইউনিয়নের ৭নং আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন প্রধান, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার নুরুল হক, সাবেক মেম্বার তাফাজ্জল হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন, হাশেম গাজী, আবদুর রহমান সিকদার, স্বপন মুন্সি, মঞ্জুর সরদার, গোলাম রসূল দেওয়ান, আবদুল মান্নান দেওয়ান, শাহজালাল, সাংবাদিক জাকির হোসেন রিপন, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রাব্বানী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ’সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের ভোটার।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।