বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:৪৭ পিএম
মতলব উত্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

মনিরুল ইসলাম মনির : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় প্রতিবছরের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক রাত ১২.০১ ঘটিকায় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

পরে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আওরঙ্গজেব এর উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য রাখেন মতলব উত্তর থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন, সাংবাদিক আরাফাত আল-আমিন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, উপজেলা পরিষদ নেতৃত্ব দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, উপজেলা প্রশাসন নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান জুয়েল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মতলব উত্তর জোনাল অফিস নেতৃত্ব দেন ডিজিএম মো. সামসু উদ্দিন, সাংবাদিক, মতলব উত্তর উপজেলা ও ছেংগারচর পৌর জাতীয় পার্টি, ছেংগারচর পৌর যুবলীগ, উপজেলা ছাত্রলীগ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ, বাংলাদেশ সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মতলব উত্তর শাখা, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমাজ মতলব উত্তর উপজেলা শাখা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোকিত মতলব, মোটরসাইকেল গ্যারেজ মালিক সমিতি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিকতার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Model Hospital

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমএ কুদ্দুস বলেন, আমরা সেই বীরের জাতি বাঙালী, যারা মাতৃভাষার জন্য যুদ্ধ করেছি, প্রাণ দিয়েছি। আমরা কখনো মাথা করি না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে শিখিয়েছেন কিভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয়। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষা। পাকিস্তানি দোসররা চেয়েছিল আমাদের মাতৃভাষা ভাষা কেড়ে নিতে কিন্তু বাঙালী জাতির বীর সন্তানেরা তা হতে দেয় নি।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আজ স্মার্ট বাংলাদেশের পর্বে পৌঁছে গেছে। তাই আগামী নির্বাচনে জনগণ আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।