বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাচা স্পোর্টিং ক্লাবের এলইডি টিভি কাপ মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৮:৫২ পিএম
চাচা স্পোর্টিং ক্লাবের এলইডি টিভি কাপ মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
মাসুদ হোসেন : ব্যাপক দর্শক সমাগমের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নে এলইডি টিভি কাপ মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের চাঁদখার বাজার সংলগ্ন এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে বটতলা বালুর মাঠে চাচা স্পোর্টিং ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ৭ম বারের মতো মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে সম্পন্ন হয়েছে।
খেলা উপভোগ করতে দুর দুরান্ত থেকে ফুটবল প্রেমি দর্শকবৃন্দ উপস্থিত হয়। এসময় দর্শকের মধ্য ছিল উত্তেজনাপূর্ন আমেজ। খেলায় প্রথমে গোল করে বাবুরহাট দি বয়েস স্পোর্টিং ক্লাব কে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। এরপর খেলার গতি আরো বেড়ে গেলেও কোন দলই গোলের দেখা না পেলে ১-০ গোলে বাবুরহাট দি বয়েস স্পোর্টিং ক্লাব বিজয় নিশ্চিত করে। রেফারি জুয়েল মিজি দক্ষতার সাথে খেলাটি পরিচালনা করেন। দর্শক সুষ্ট ও সুন্দর পরিবেশে খেলাটি উপভোগ করে এবং বাবুরহাট দি বয়েস স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন ও চাঁদখার বাজার গাজী স্পোর্টিং ক্লাব রানারআপ হয়ে তাদের পুরষ্কার হিসেবে ক্রমান্বয়ে এলইডি টিভি গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোঃ আলী আহম্মদ স্বপনের সভাপতিত্বে ও বাবুরহাট সোনালী সুদিন সংগঠনের কর্নধার মোঃ হানিফ এর ধারাভাষ্যে উক্ত ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আশিকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান পাটওয়ারী, আশিকাটি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মোঃ সেলিম মাল, ৫নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মোঃ বিল্লাল হোসেন, সমাজসেবক মিজানুর রহমান মিজি, সেনা কর্মকর্তা মমিনুল হক মিজি, সমাজসেবক লেয়াকত পাটওয়ারী ও কাদির খান। খেলা পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ সহ দুর দুরান্ত থেকে আগত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
চাচা স্পোর্টিং ক্লাবের এই টুর্নামেন্টটি ৭ম বারের মতো ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এবছরের টুর্নামেন্টে ১০টি দল অংশগ্রহণে গত ১৫ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয়েছে ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার। চাচা স্পোর্টিং ক্লাবের আহবায়ক মোঃ জুয়েল মিজি বলেন, যুবসমাজকে মাদকসহ সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে এবং এই অঞ্চলের যুবসমাজের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতেই আমার এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
সাত বছর ধরে যথেষ্ট সুনামের সাথে এই খেলাটি পরিচালনা করে আসতেছি। এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় এ খেলাটি সফলতার সাথে সম্পন্ন করতে পারায় মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।