বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে রেনেসাঁ মডেল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩, ৭:১৯ পিএম
ফরিদগঞ্জে রেনেসাঁ মডেল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

উপজেলার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রেনেসাঁ মডেল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিফাল অফিসার মাহবুবুল হক।

এসময় তিনি বলেন- ‘একজন শিক্ষার্থীকে ভালো শিক্ষার্থীর পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে। শিক্ষকদের মনে রাখতে হবে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মডেল হিসেবে সবার আগে অগ্রাধিকার দেয় তার শিক্ষকদের। তাই শিক্ষকরা নিজেকে ঐভাবে গড়ে নিতে হবে। একজন ভালো শিক্ষকই পারে নৈতিকতাসম্পূর্ণ একাধিক শিক্ষার্থী তৈরী করতে। নৈতিকতা শিখার প্রাথমিক ধাপ হলো হলো এই প্রতিষ্ঠানগুলো। ’ তিনি আরো বলেন, ‘বাচ্ছারা খেলাধুলাকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যেভাবে উপভোগ করে ঠিক তেমনি করে পড়ালেখাকেও প্রতিযোগিতার মতো করে নিতে হবে। সেই চিন্তা শিশুদের মধ্যে ধারন এবং লালন করার দায়িত্ব অভিভাবক এবং শিক্ষকদের।’

১৩ মে শনিবার সকালে একাডেমির মাঠে পুরস্কার প্রদান পূর্ব আলোচনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন একাডেমির পরিচালক মো. আবুল হোসেন। প্রধান শিক্ষক মো. নাসির হোসেন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মো. রেজাউল করিম, এস.এম.সির সদস্য ডা. ইমাম হোসেন সৌরভ, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পাটওয়ারী, মো. বিল্লাল হোসেন মানিক, ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন লিটন, মো. মহসিন পাটওয়ারী প্রমুখ।

Model Hospital

অনুষ্ঠান শেষে সকল অতিথি, শিক্ষক মহোদয়, কর্মচারীদের মাঝেও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। ক্রীড়ায় ৬০ জন, সাংস্কৃতিতে ৪৮ জন, ২০২২ সনের মেধা তালিকায় ২৭ জনসহ সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।