ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরন্ত শেখ হাসিনা’র ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। ১৭ মে মঙ্গলবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে ১৯৮১ সালে ১৭ মে এই দিনে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে বাংলার মাটিতে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁরই নেতৃত্বে আজকে দেশের উন্নয়নে ধারা সকল স্থানে এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়ন ধারা ব্যহত করার জন্য কিছু স্বার্থনেষী মহল নিজেদের মধ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ এর প্রতিহত করতে হবে। আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অব্যাহত রাখতে কাজ করতে হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্য জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরায় দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে, জাতি হিসেবে বাঙ্গালীকে এবং দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক ভিন্ন উচ্চতায়। তবে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন। তাই শুরু হয়েছে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে, তাদের মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের স্মরণে রাখতে হবে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে, বাংলাদেশ নিরাপদ, বাংলাদেশ মানুষ নিরাপদ থাকবে। দেশের উন্নয়ন হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সন্তোষ দাস, ইঞ্জি আঃ রব ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্ল্যাহ আখন্দ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. বিনয় ভূষণ মজুমদার, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম মিয়াজী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মোঃ রুহুল আমিন সরকার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ হারুনুর রশিদ সাগর, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্টু দেওয়ান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূইয়া, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, জেলা মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওহিদুর রহমান, জেলা কৃষক লীগের সদস্য আব্দুল হান্নান খান সবুজ, সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ- কমিটির সদস্য বদরুন নাহার, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রেনু বেগম, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, সুমন মজুমদার, কাজী পায়েল প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশরন্ত শেখ হাসিনা’র দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাইতুল আমিন রেলওয়ে জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি জাফর আহমেদ।
ট্যাগস :

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরন্ত শেখ হাসিনা’র ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। ১৭ মে মঙ্গলবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে ১৯৮১ সালে ১৭ মে এই দিনে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে বাংলার মাটিতে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁরই নেতৃত্বে আজকে দেশের উন্নয়নে ধারা সকল স্থানে এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়ন ধারা ব্যহত করার জন্য কিছু স্বার্থনেষী মহল নিজেদের মধ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ এর প্রতিহত করতে হবে। আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অব্যাহত রাখতে কাজ করতে হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্য জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরায় দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে, জাতি হিসেবে বাঙ্গালীকে এবং দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক ভিন্ন উচ্চতায়। তবে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন। তাই শুরু হয়েছে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে, তাদের মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের স্মরণে রাখতে হবে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে, বাংলাদেশ নিরাপদ, বাংলাদেশ মানুষ নিরাপদ থাকবে। দেশের উন্নয়ন হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সন্তোষ দাস, ইঞ্জি আঃ রব ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্ল্যাহ আখন্দ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. বিনয় ভূষণ মজুমদার, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম মিয়াজী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মোঃ রুহুল আমিন সরকার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ হারুনুর রশিদ সাগর, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্টু দেওয়ান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূইয়া, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, জেলা মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক দেওয়ান, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওহিদুর রহমান, জেলা কৃষক লীগের সদস্য আব্দুল হান্নান খান সবুজ, সদর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ- কমিটির সদস্য বদরুন নাহার, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রেনু বেগম, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, সুমন মজুমদার, কাজী পায়েল প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশরন্ত শেখ হাসিনা’র দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাইতুল আমিন রেলওয়ে জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি জাফর আহমেদ।