শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে---------

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্বেই আস্থা রাখতে চায় তৃণমূল 

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩, ৬:২৯ পিএম
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্বেই আস্থা রাখতে চায় তৃণমূল 
সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিভিন্ন সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। চাঁদপুর জেলার ৫ টি সংসদীয় আসনেও থেমে নেই সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা যার যার পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সভা সমাবেশ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থীতা জানান দিচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সামনে জাতীয় নির্বাচন, আগামী ২৩শে জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, বিএনপি জামাতের আন্দোলন সহ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র , বর্ষাকালে ঝড়বৃষ্টি জনিত আবহাওয়া, বর্তমানে সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষা চলছে, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা এবং জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ঈদুল আজহা উদযাপন হবে। এসব সামলিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগ মুহূর্তে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করলে দলের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার চেয়ে নিজ দলে বিভক্তি ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে গ্রুপ – উপগ্রুপ প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মত দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।
বর্তমান জেলা কমিটির নেতৃত্বে সম্মেলন করার চেষ্টা হলেও দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সম্মেলন স্থগিত করা হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই নিকটবর্তী। এখন জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলে সংগঠনের মধ্যে গ্রুপ – উপগ্রুপ সৃষ্টি সহ জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। এতে করে দলের সাংগঠনিক অবস্থান দূর্বল হয়ে যাবে এবং জাতীয় নির্বাচনের দলের প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট বদিউজ্জামান কিরন বলেন, জাতীয় নির্বাচন যেহেতু সন্নিকটে তাই এই মুহূর্তে সম্মেলন করলে দলীয় গ্রুপিংয়ে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে আর সেটা জাতীয় নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান মিন্টু বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় অর্জন সম্ভব।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬ টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ শক্তিশালী ইউনিট। চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে জেলা কমিটির নেতৃত্বে সাংগঠনিক সকল কার্যক্রম, দেশ ও জাতির সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালের দক্ষ নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম অত্যন্ত সুন্দর ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২০ সালে যখন সারা বিশ্ব করোনা মহামারী পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দিকবিদিক ছুটছে তখন শেখ হাসিনার সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তা সুন্দর ভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। আর শেখ হাসিনার নির্দেশে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দক্ষ নেতৃত্বে সার্বক্ষনিক জেলার সর্বসাধারণের পাশে দাঁড়িয়েছিল। ছিন্নমূল ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক গৃহ নির্মাণ করে দেয়া, চাঁদপুর শহরকে মেঘনা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করা, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণের ভূমি ক্রয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে আপ্রাণ চেষ্টা। যা জেলার দলমত নির্বিশেষে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।
আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল চাঁদপুরের মানুষের আস্থার প্রতীক ও সাধারণ নিরীহ ত্যাগী কর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল। তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন নেতা ও চাঁদপুরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে এবং তাদের দৃঢ় নেতৃত্বেই বিগত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থীদের বিজয় সু- নিশ্চিত করেছেন। এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে নৌকার বিজয় অর্জন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, আমাদের উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম চলমান আছে এখন সম্মেলন বাকি আছে। জাতীয় নির্বাচন যেহেতু খুব কাছাকাছি তাই এখন সম্মেলন করার ঝুঁকি নেওয়া হলে দলীয় কোন্দল সৃষ্টি হতে পারে। আমরা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি।
উল্লেখ্য: চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সবশেষ সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছিল ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি আর কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদিত হয় ২০১৭ সালের ১০ আগষ্ট।
জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান নেতৃত্বে জেলার আটটি উপজেলা ও ৭ টি পৌর কমিটির মধ্যে মতলব উত্তর উপজেলা, ছেংগারচর পৌরসভা, ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সম্মেলন বাকি। এছাড়া সকল উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলেও পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সম্ভব হয়নি। এছাড়াও আওয়ামী লীগের তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীরা এবং নৌকার সমর্থিত সাধারণ ভোটাররা জানান এমতাবস্থায় চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রভাব বিস্তার করবে এবং দলের মধ্যে নতুন করে গ্রুপিং সৃষ্টি হবে যা জাতীয় নির্বাচনে দলের জন্য বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগকে ঘিরে ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মতবিনিময় সভা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের মান্দারী তাজ সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় জানানো হয়, চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান বা মেম্বার পদে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদককে দলীয় পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিতে হবে। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, দলীয় ঐক্য ও আগামী দিনের করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ সময় ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি তারা বলেন, বিগত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বপন মাহমুদ টানা দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তার রাজনৈতিক দল বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, তাই এবারও তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় সমর্থন দিতে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করলে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে এবারও বিজয় নিশ্চিত করার আশা ব্যক্ত করেন নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিনের সহকর্মী শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টি সহজে মানিয়ে না নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ খান, সাবেক সহ সভাপতি কবির হোসেন রনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক কবিরাজ, সমাজসেবক জহিরুল হক লালু মাষ্টার প্রমূখ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মতামত ব্যক্ত করেন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল হাওলাদার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাহবুব বেপারী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম পাটওয়ারী, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর খান, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মহসিন তপদার, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাজী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ সাত্তার বেপারী, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফ তালুকদার, সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সোহেল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আশেক এলাহী, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আলমগীর পাটওয়ারী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পরে দলীয় নেতাকর্মীদের মতামত ও উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সভাপতির পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার ও কারানির্যাতিত জননন্দিত নেতা স্বপন মাহমুদ। এবং এদিন রাতেই চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির কাছে তার পদত্যাগ পত্র জমা দেন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের উল্লেখযোগ্য কিছু রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কথা সকলের কাছে স্মৃতিচারণ করেন। অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল, ওলামাদলের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল পাটওয়ারী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার, সদস্য আবুল বাশার, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব গাজী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহমুদ সেলিম, যুবদল নেতা শওকত কারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গাজী নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস পাটওয়ারী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মিজি, ছাত্রদল নেতা সজিব পাটওয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী পারুল আক্তার, সাধারণ সম্পাদক রুমা বেগম, ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সার্ভেয়ার আব্দুল হামিদ সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।