বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিউটি পার্লার করতে না দেওয়ায় চন্দ্রগঞ্জে গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩, ১০:২২ পিএম
বিউটি পার্লার করতে না দেওয়ায় চন্দ্রগঞ্জে গৃহবধূর আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিউটি পার্লার করতে না দেওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন শারমিন আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ।

পুলিশ রোববার (৪ মে) দুপুরে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এর আগে শনিবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ বাজারের হাজী তোফায়েল কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার বারান্দায় ফাঁস দেন শারমিন।

এ ঘটনায় তার স্বামী বাপ্পী চৌধুরিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

Model Hospital

আটক বাপ্পী চৌধুরি চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলেয়াপুর ইউনিয়নের ভববতী গ্রামে। মৃত শারমিন একই উপজেলার জয় নারায়ণপুর গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে।

জানা গেছে, শারমিন বাপ্পী চৌধুরির দ্বিতীয় স্ত্রী। ৫-৬ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক বছরের একটি কন্যাশিশু রয়েছে। তারা চন্দ্রগঞ্জ বাজারের ওই ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয়রা জানায়, শারমিন তার স্বামী বাপ্পীর কাছে বিউটি পার্লার দেওয়ার জন্য বায়না ধরেন। এতে তিনি রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং শনিবার (৩ জুন) রাতে বাপ্পী তার স্ত্রী শারমিনকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পরে শারমিন অভিমানে বাসার বারান্দায় দরজা বন্ধ করে ফাঁস দেন। ঘটনাটি বাজারে থাকা উপস্থিত লোকজন বাইরে থেকে প্রত্যক্ষ করেন। তারা তাকে অনেক নিষেধ করলেও তিনি কারো কথা শোনেন নি। তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি।

এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।