বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে বালুর হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্বে মারধর, থানায় অভিযোগ

মতলব উত্তর ব্যুরো প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩, ৯:৩৭ পিএম
মতলব উত্তরে বালুর হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্বে মারধর, থানায় অভিযোগ

মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের পূর্ব লালপুর গ্রামে বালুর হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্বে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে মতলব উত্তর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন সোলেমান হাওলাদারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)।

ঘটনাটি ঘটে ৭ জুন রাত ৮.৪০মিনিটে পূর্ব লালপুর গ্রামের মধ্যে মো. শ্যামলের দোকানের সামনে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বসত বাড়ী উঁচু করার জন্য বালু ব্যবসায়ী মো. জালাল মিয়াজীর কাছ থেকে বালহেডের বডির পরিমাপে বালু ক্রয় করি। আমার বাড়ীতে ড্রেজারের মাধ্যমে নিতে থাকলে মো. জালাল অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা আমার সাথে প্রতারনাপূর্বক ১০ হাজার ফুটের বাল্কহেড বডির পরিমাপের কথা বলে ৯ টাকা ফুটে বালু দিবে বলে আমাকে ৮ হাজার ২০০ ফুটের বডিরবালু আমাকে দেয়।

এই বিষয়ে মো. জালালকে জানাইলে উত্তেজিত হয়ে ১০ হাজার ফুটের বডি হিসাবে ১ বডি বালু দিয়ে প্রতারনাপূর্বক ভুল হিসাব করে ১৬ হাজার ফুটের বডি দেখাইয়া আমার নিকট থেকে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫শ’ টাকা নিয়ে ব্যবসায়িক মেমোতে উক্ত হিসাব উঠাইয়া আমার নিকট থেকে জোরপূর্বক সহি নেয়। পরবর্তীতে এই বিষয়ে আমি আপত্তি জানাইলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে বিবাদীসহ অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা আমাকে এলোপাথারী ভাবে লাঠি সোটা দিয়ে পিটাইয়া আমার হাতে, পায়ে, পিঠে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। আমি মাটিতে পড়া থাকাবস্থায় বিবাদী আমার সাথে থাকা নগদ ৯০ হাজার টাকা জোরপূর্বক নিয়ে যায়।

Model Hospital

মো. জালাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। মো. জাহাঙ্গীর আলম আমার প্রতিবেশী, তিনি আমার কাছ থেকে কোন বালু নেয়নি। তিনি অন্যজনের বালু নেয়ার মধ্যস্ততাকারি। আমার বালুর বাল্কহেডে প্রায়শই তিনি সহ তার সহযোগীরা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করতো। আমি এ নিয়ে বাঁধা দিলে তার সাথে বিরোধ হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।