বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ের উপহার ১ কেজি কাঁচা মরিচ!

জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২ জুলাই, ২০২৩, ৭:১২ পিএম
বিয়ের উপহার ১ কেজি কাঁচা মরিচ!

বিয়ের অনুষ্ঠানে বৌভাতে গিয়ে মানুষ কত কিছু উপহার দেন। উপহারের তালিকায় সাধারণত থাকে শোপিস, শাড়ি, অলংকার, নগদ টাকা কিংবা বই। তাইবলে কাঁচামরিচ ভাবতেই পারবে না কেউ। এমনই এক মজার কাণ্ড ঘটেছে। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ হাস্যরস তৈরি হয়।

আজ রোববার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দীতে।

জানা গেছে, হোসেন্দীর পশ্চিম কুমারপুর গ্রামের জিয়াউর রহমানের একমাত্র ছেলে অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান আফ্রিদের বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে ১ কেজি কাঁচামরিচ উপহার দিয়েছেন তারই বন্ধুরা।

অভিনব উপহার নিয়ে আসা এস এম রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশে যে হারে কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। উপহার হিসেবে কাঁচামরিচ দেওয়াটা আমার কাছে প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়েছে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ দাম বৃদ্ধির একটি মৌন প্রতিবাদ বটে।

Model Hospital
বিয়ের অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে আনা কাঁচামরিচ।

এদিকে কাঁচামরিচ উপহারের বিষয়টিকে এলাকার সচেতন মহলে বেস সাড়া ফেলেছে। তারা মনে করছেন বিষয়টি প্রাসঙ্গিক ও ইঙ্গিতবহ হিসেবেই দেখছেন।

এ বিষয়ে বরের চাচা অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান বলেন, আমাদের আজকে অনুষ্ঠানে অনেকেই অনেক রকম উপহার নিয়ে এসেছেন। তবে আফ্রিদের বন্ধুদের কাঁচামরিচ উপহার দেওয়ার বিষয়টি বেশ চমকপ্রদ। তাদের এই প্রতিবাদী উপহার আমি সাদরে গ্রহণ করেছি।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়াইল উপজেলায় অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান আফ্রিদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ৬০০ টাকা দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।