শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

জমে ওঠেছে হাইমচর আলগী বাজারের শীতের পিঠার দোকান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:২০ পিএম
জমে ওঠেছে হাইমচর আলগী বাজারের শীতের পিঠার দোকান
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল-সন্ধ্যার হিমেল বাতাসে সরিষা, ধনেপাতা, শুটকি ভর্তা মাখিয়ে গরম গরম চিতই পিঠা খাওয়ার কথা মনে হলেই ‍জিভে জ্বল আসে। ভাপা পিঠার সুগন্ধি ধোঁয়ার মন আনচান করে ওঠে। শীতের আমেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কদর বেড়েছে এসব নানা রকমের পিঠার। গ্রামে ও শহরে পিঠার দোকানে ভিড় জমতে শুরু করেছে।
এই শীতে মুখরোচকদের চাহিদা মেটাতে দেশের অন্যান্য জায়গার মতো হাইমচর উপজেলা সদর আলগী বাজারের বিভিন্ন মোড়ে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এসব দোকানে মূলত ভাপা, চিতই, তেলের পিঠাসহ নানান বাহারি পিঠা বানানো হচ্ছে। প্রতিটি পিঠার দাম ৫-১০ টাকা। রিকশাচালক, দিনমজুর, শিশু-কিশোর, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী সব শ্রেণি-পেশার মানুষই পিঠার এসব দোকানে ভিড় করছে। অনেকে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যায় পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
পুরুষদের পাশাপাশি অনেক নারীও এসব দোকানে পিঠা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন। তবে পিঠা বিক্রেতারা বলছেন, চালসহ দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি হলেও পিঠার দাম বাড়েনি।
হাইমচর বাজারের একজন পিঠা ক্রেতা আব্দুস সোবহান বলেন, শীতের ঠাণ্ডা বাতাসে গরম গরম পিঠা খেতে খুব মজা লাগছে। আমি দুইটা খেয়েছি এবং বাড়ীর জন্য ৫টা নিয়ে যাচ্ছি। পিঠা খেতে আসা স্কুলছাত্র রাকিব হোসেন বলেন, বিকাল হলে চপ, শিঙ্গাড়া, পুড়িসহ টুকটাক কিছু খেতাম। কিন্তু এখন ভাপা পিঠা কিনে খাই।
বিসমিল্লাহ মোড়ের পিঠা বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক কাজী বলেন, শীতের মৌসুমে আমরা বেশ কয়েকজন পিঠা বিক্রি করি। চাহিদা না থাকায় আমি কেবলমাত্র ভাপা পিঠা তৈরি করি।
তিনি জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে প্রায় ১৮০০-২২০০ টাকার পিঠা বিক্রি করেন তারা। এ থেকে খরচ বাদে প্রায় ৭০০-৯০০ টাকা লাভ হয়।
তিনি বলেন- আমি গরমের সময় দিনমজুরির কাজ করি। শীতের মৌসুমে পিঠা বিক্রি করি। এতে বাড়তি আয় করে ভালভাবে ছেলে-মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে ভালই আছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital