বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়ায় মার্কেট পুড়ে ৩৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুলাই, ২০২৩, ২:৪৯ পিএম
মহামায়ায় মার্কেট পুড়ে ৩৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
চাঁদপুর সদর উপজেলার মহামায়া পূর্ব বাজার সংলগ্ন একটি মার্কেটের আওয়ামী লীগ কার্যালয়সহ ৭টি গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ আগুনের লেলিহান শিখা মূহূর্তেই পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার (১১ জুলাই) রাত সোয়া ১০টা দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মহামায়া পূর্ব বাজার স্টেশন রোডে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদউল্যাহ পাটওয়ারীর মালিকানাধীন একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে পুরো মার্কেট পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। তবে তাদের ধারণা মতে বিদ্যুতের সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এসময় চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে এর আগে স্থানীয় সকল বয়সী মানুষের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তাদের জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে আগুন নেভাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তা না হলে আশেপাশের মার্কেটেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা ছিল।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হেদায়েত উল্যাহ
চাঁদপুর নতুন বাজার ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট অফিসার রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ অগ্নিকাণ্ডে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হাজীর ব্যক্তিগত কার্যালয়, শাহাজান বেপারীর অটোবি ফার্নিচার কারখানা, হারুন বেপারীর সিমেন্টের গোডাউন, জাহাঙ্গীর বেপারী, মনির বেপারী, বিল্লাল বেপারী, উত্তম চন্দ্র ঘোষ ও কালাম পাটওয়ারী ৫টি ফলের গোডাউনসহ পুরো মার্কেট পুড়ে যায়। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারনা মতে এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৫ লক্ষাধিক টাকা।
খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুহাম্মদ মুহসিন আলম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক শান্তনা প্রদান করেন। এবং মডেল থানা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুহাম্মদ মুহসিন আলম
পরদিন বুধবার (১২ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হেদায়েত উল্যাহ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, শাহমাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু, ইউপি সচিব মোহাম্মদ কুদ্দুছ আখন্দ রোকন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হাজী ও ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান, কবির হোসেন রনিসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।