বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দামি জাহাজ ডুবে গেলেও কেন ওঠায় না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩, ৪:৫৯ পিএম
দামি জাহাজ ডুবে গেলেও কেন ওঠায় না

সমুদ্রের গভীরতার কথা কেউ কেউ তো ভাবতেও চাননা। সমুদ্রের এই অতল গহীনে নানা সময় দুর্ঘটনায় অসংখ্য জাহাজ কিংবা অন্যান্য নৌযান হারিয়ে গেছে। টাইটানিকসহ আরও অনেক দামি জাহাজ পানির তলদেশে থাকলেও এসব উদ্ধার করা হয়নি। জাতিসংঘ বলছে, এ পর্যন্ত সমুদ্রে ডুবে যাওয়া জাহাজের সংখ্যা তিন মিলিয়ন। এসব জাহাজ যুদ্ধ, ঘূর্ণিঝড় বা অন্য জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে তলিয়ে গেছে।

সমুদ্রের তলদেশে হারিয়ে যাওয়া বিলাসবহুল জাহাজগুলোর সঙ্গে হারিয়ে গেছে অনেকের বহু মূল্যবান সম্পদ। সমুদ্রের তলদেশে ডুবে যাওয়া এসব মূল্যবান জিনিসের মূল্য ৬০ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এসব জাহাজ কেন উদ্ধার করা হয় না, তা নিয়ে প্রশ্ন অনেকের মনে।

সমুদ্রের তলদেশে হাজার কোটি টাকা দামের জাহাজ ডুবে গেলেও নানা কারণে সেসব উদ্ধার করা হয় না। এরমধ্যে প্রধান কারণ হলো আর্থিক সঙ্কট। জাহাজ তোলার ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ ব্যয় হবে, তাই এসব জাহাজ উদ্ধার করা হয় না। অনেক সময় দেখা যায় যে, জাহাজের দামের চেয়ে উদ্ধার খরচই বেশি। ২০১২ সালের ১৩ জানুয়ারি ইতালির এক দ্বীপের কাছে পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় বিলাসবহুল প্রমোদতরী কস্টা কনকর্ডিয়া। পরবর্তীতে এটি উদ্ধারে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় হয়, যা জাহাজের নির্মাণব্যয়ের চেয়ে তিন গুণ বেশি।

বেশিরভাগ জাহাজ উদ্ধার না করার অন্যতম কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে জাহাজের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করতে না পারা৷ ডুবে যাওয়া অনেক জাহাজের সঠিক অবস্থান এখনো নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। সমুদ্রের তলদেশে গিয়ে জাহাজ উদ্ধার করা একেবারে সহজ কাজ নয়। অবস্থান জানা গেলেও অনেক সময় জাহাজের অবস্থা ভালো থাকে না। দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকার ফলে জাহাজের অনেক যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যায়, যা পরে কোনো কাজে আসবে না।

Model Hospital

ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার না করার আরও একটি কারণ হলো এর পরিবেশ। এসব জাহাজ পানির নিচে থাকার ফলে সামুদ্রিক প্রবালে পরিণত হয়, যা সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।

সমুদ্রে ডুবে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক জাহাজও উদ্ধার করা হয় না। এর কারণ অবশ্য ভিন্ন। যদিও সামরিক জাহাজে অনেক বেশি পরিমাণে মূল্যবান সম্পদ থাকে। সামরিক জাহাজ উদ্ধার না করার অন্যতম কারণ মিলিটারি ফিলোসোফি। সামরিক বাহিনীতে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, যে যেখানে ধ্বংস হয়, তাকে সেখানেই কবর দেওয়া হয়। তাই, মূল্যবান হলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই জাহাজ উদ্ধার করা হয় না।

ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার না করার বিশেষ একটি কারণ অনুমতি ও আইনি জটিলতা। এসবের অনুমতির জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন হয়, যা সময়সাপেক্ষ। এসব জটিলতার কারণে জাহাজ কোম্পানিগুলো ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার করতে চান না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।