রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে শ্রেষ্ঠ নারী সংগঠন ‘বিজয়ী’ পেল একাত্তর ফাউন্ডেশন সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩, ১০:৩৭ পিএম
চাঁদপুরে শ্রেষ্ঠ নারী সংগঠন ‘বিজয়ী’ পেল একাত্তর ফাউন্ডেশন সম্মাননা

নারীদের আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী ও নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরি করে চাঁদপুরে নারী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ নারী সংগঠন সম্মাননা পেলেন নারী উন্নয়ন সংস্থা – বিজয়ী। ২৮শে জুলাই শুক্রবার রাতে চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দৈনিক একাত্তর কন্ঠ ও একাত্তর ফাউন্ডেশন ইউএসএ কতৃক এক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ সন্মাননা ক্রেস্ট গ্রহন করেন বিজয়ী এর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খানসহ সংগঠনের অর্ধশত কর্মকর্তা। সম্মাননা তুলে দেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এমপি।

একাত্তর কন্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান বেলাল এর সভাপতিত্বে এবং অজয় কুমার ভৌমিক এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ নূরুল আমিন, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, আক্তার হোসন সিনিয়র সচিব (অব:) এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক,প্রধানমন্ত্রী দপ্তর, কামরুল হাসান জেলা প্রশাসক চাঁদপুর জেলা,সাইফুল ইসলাম পুলিশ সুপার চাঁদপুর জেলা, মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল মেয়র চাঁদপুর পৌরসভা, ডাঃ সৈয়দা বদরুন নাহার স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, এডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমন চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ ফরিদগঞ্জ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে যা উন্নয়ন হচ্ছে, তার সুফল সবাই পাচ্ছি। কিন্তু আগে যারা ক্ষমতায় ছিল, সবাই অশিক্ষিত ও অদক্ষ। তারা শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। মানুষের হক মেরে খেয়েছে। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে এই সরকারকেই ভোট দিতে হবে।’

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ফিতা ও কেক কেটে চাঁদপুরে এই প্রথম আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্পন্ন ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

Model Hospital

সম্মাননা পেয়ে বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইসতিয়াক খান সৃষ্টি কর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ধন্যবাদ এটি আমাদের জন্য অনেক গর্বের ও সম্মানের, এই সম্মাননা শুধু আমার নয়, বিজয়ী এর সকল সদস্যদের । এমন পুরস্কার অর্জনে আমরা সত্যিই অনেক আনন্দিত। আমি একাত্তর ফাউন্ডেশন ইউএসএ ও দৈনিক একাত্তর কন্ঠ পরিবারসহ আয়োজকদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এবং অনুরোধ করছি আপনাদের এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর দেশের নারীদের কে সম্মানিত করে তাদের পথ চলাকে আরও গতিশীল করে দিবেন। শুধু মাত্র নারী উদ্যোক্তা নয় পাশাপাশি ছেলে উদ্যোক্তাদেরকেও সম্মাননা দিয়ে উৎসাহিত করবেন।

উন্নত বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে একজন নারী শুধু গৃহিণী নয়,কারো মা নয়, কারো মেয়ে নয়, কারো বোন নয়,কারো স্ত্রী নয় বরং নিজের সাহসী চেষ্টায় একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে নিজের ও অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

তানিয়া খান আরও বলেন ২০২০ সালের প্রতিষ্ঠিত বিজয়ী আজ বিজয়ের পথে, আলহামদুলিল্লাহ চাঁদপুরে উদ্যোমী নারী উদ্যোক্তাগন আজ আমরা সবাই একই কাতারে একই পতাকা তলে বিজয়ীতে। শুরু থেকে নানা রকম প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমরাই বিজয়ী হয়ে চাঁদপুরের নারীদের বেকারত্ব দূর করে আত্মনির্ভরশীল করে স্মাট বাংলাদেশ গড়ায় অংশীদার হবো।

উক্ত অনুষ্ঠানে একাত্তর ফাউন্ডেশন ও দৈনিক একাত্তর কন্ঠ পরিবারের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঘর বিতরন, সেলাই মেশিন বিতরন, সাংবাদিকতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্পাদক এবং সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করেন।

বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থা এর পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাসরিন আক্তার নওশিন, রাবেয়া আক্তার রাবু, তাহমিনা মীম, সামিয়া রহমান, রিংকি হাওলাদার, সীমা খান, আমাতুল্লাহ সুমাইয়া, পুষ্পিতা পুষ্প, উম্মে তাসলিম, সাদিয়া সুলতানা, মেহজাবিন ঝুমুর, আসফিয়া জাহান, ইসরাত জুই, জান্নাত আক্তার লিলি,ফাতেমা আক্তার, সুলতানা পিংকি শিকদার,
ফেরদৌসী আক্তার মনি, শারমিন আক্তার রূপা, অনুরাধা দাস, শান্তা ইসলাম, আলেয়া আরহি মিরা, দিলরুবা ইসলাম মিম, জান্নাতুল মরিয়ম জিদনী, ফাতেমা আক্তার শিল্পী, শাহনাজ আক্তার মুন্নি, ফাতেমা আক্তার, তানিয়া আক্তার, ফাতেমা আক্তার রিতা, সুমাইয়া মুসকান, সুমাইয়া ইসলাম সরনা, আলিশা মুন্নি, উম্মে রাজিয়া ইসলাম, সুমাইয়া খান, পূজা রানী দাস,আফরোজা আক্তার, সানজানা আক্তার, তানজিলা আক্তার, রিউ দে, সামিয়া আক্তার, তানহা আক্তার, খাদিজা আক্তার, তাছলিমা রহমান, স্রাবন্তি দাস, রিয়া আক্তার , মাহমুদা আক্তার, আয়েশা রহমান, প্রিয়া সাহা, তাহমিনা আক্তার, সামিয়া প্রিয়সী, কাশফি, নিহা খন্দকার, রোকসানা আক্তার মিম, ফাতেমা তুজ বৃষ্টি, তাছলিমা মুক্তার, মরিয়ম আক্তার, মুক্তা, তিশা আক্তার, আরবী আক্তার, বৈশাখী আক্তার, মিনা আক্তার, পাপিয়া আক্তার, নাজমা আক্তার, জেছমিন আক্তার, পিংকি আক্তার, উম্মে হানী, ফেরদৌসী আক্তার মনি, মুক্তা রহমান,
ফারজানা আক্তার।

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।