মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সিপাইকান্দি গ্রাম ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৭:৪২ পিএম
সিপাইকান্দি গ্রাম ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে

আবারও সিপাই কান্দি গ্রামটি ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে। গত ৩রা আগষ্ট চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১০নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাইকান্দি গ্রামের আলী আকবর মিজির বাড়ি বিকাল চার হইতে শুরু করে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকে। চর্তুরদিকে প্রায় একশ থেকে দেড়শ ফুট জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

২০২০-২০২১ সালে চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামিলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড মো. নুরুল আমিন রুহুল সিপাই কান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রামের নদী ভাঙ্গন এলাকা জিও ব্যাগ দিয়ে রক্ষা করেন।

দুই বছর যেতে না যেতেই আবারও সিপাইকান্দি গ্রামের আলী আকবর মিজির বাড়িটি নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিনিধিকে সরজমিন পরিদর্শনে পাঠান এবং জরুরী ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

এ ছাড়া মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সরজমিন পরিদর্শন করেন।

Model Hospital

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে গ্রাম টি রক্ষা করা কঠিন হবে। জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন এলাকা রক্ষা করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম মোহন, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড মো. নুরুল আমিন রুহুল, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসান ও মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ও পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসি।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।